
A 16-year-old boy in Rajasthan's Pali district allegedly killed his 85-year-old grandfather with the help of a friend on August 10 and dumped the body in a river, police said on Friday.…
রাজস্থানের পালি জেলায় ১০ আগস্ট এক ১৬ বছর বয়সী কিশোর তার বন্ধুকে নিয়ে ৮৫ বছর বয়সী দাদাকে খুন করে দেহ নদীতে ফেলে দেয় বলে শুক্রবার পুলিশ জানিয়েছে। অভিযুক্ত কিশোরকে আটক করা হয়েছে এবং তার বন্ধু ও ৫০ বছর বয়সী এক খামারের প্রহরীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে ১২ আগস্ট দেহটি উদ্ধার করা হয় এবং তাতে ছুরিকাঘাত ও শ্বাসরোধের চিহ্ন ছিল।
দ্বাদশ শ্রেণীর ওই ছাত্র পুলিশের জেরার মুখে স্বীকার করে যে পরিবারের পক্ষ থেকে কেন নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়নি সেই প্রশ্ন তাকে ভাবিয়ে তুলেছিল। তদন্তে জানা যায় কিশোরের ফোনে হত্যার পদ্ধতি এবং মৃত্যু ঘটাতে কতখানি চাপের প্রয়োজন তা নিয়ে সার্চ করা হয়েছিল। পুলিশকে সে জানায় যে তারা দুজনে মিলে স্ক্রু-ড্রাইভার ও ছুরি দিয়ে বৃদ্ধকে আক্রমণ করে, দেহটি বস্তায় ভরে স্কুটারে করে নদীতে ফেলে দেয়। ভুক্তভোগীর ছেলে মুম্বাই থেকে ১৩ আগস্ট হত্যার অভিযোগ দায়ের করেন।
সংবাদমাধ্যমগুলো একে নিছক পারিবারিক অপরাধের ঘটনা হিসেবে তুলে ধরলেও আসল সমস্যাটি রয়ে গেছে পর্দার আড়ালে। ভারতের কিশোরদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্যের অবহেলা এবং সহিংস কনটেন্টে সহজে প্রবেশাধিকারের মতো বিষয়গুলো সামনে আসছে না। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত কিশোর অনলাইনে শ্বাসরোধের পদ্ধতি খুঁজেছিল। এই তথ্যটিই কেবল ‘পারিবারিক অশান্তি’র গণ্ডি পেরিয়ে শিশুদের অনলাইন ব্যবহার নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে বিতর্কের দাবি রাখে। রাজস্থান পুলিশ বন্ধু ও প্রহরীর ভূমিকা কতটা গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখে এবং কিশোরের বয়সের কারণে দায়ভার লঘু করে দেয় কি না তা দেখার বিষয়।
সূত্র: hindustantimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরের লিঙ্কে থাকা মূল খবরের ভিত্তিতে এআই দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।