
A parliamentary committee has flagged severe vacancies across government-run companies and the finance ministry’s asset management department. Its report says 53 Central Public Sector Enterprises, including BPCL and BSNL, had no regular…
সংসদীয় কমিটির রিপোর্টে দেখা গেছে, ৫৩টি কেন্দ্রীয় সরকারি উদ্যোগে, যার মধ্যে বিপিসিএল এবং বিএসএনএলও রয়েছে, কোনও স্থায়ী চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক নেই। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই সংস্থাগুলি অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছিল।
কমিটি আরও দেখেছে, ৭৫৮টি স্বতন্ত্র পরিচালকের পদের মধ্যে ৫৩৩টিই খালি, যা ৭০% ঘাটতি। ডিআইপিএএম-এ অনুমোদিত ৮৯ জন কর্মীর জায়গায় মাত্র ৫১ জন রয়েছেন, অর্থাৎ ৪৩% পদ খালি। প্যানেল বলেছে, সরকারের ব্যাখ্যা যে পাবলিক এন্টারপ্রাইজ সিলেকশন বোর্ড নিয়োগের দায়িত্বে রয়েছে, তা পদ্ধতিগত এবং এতে কোনো সুনির্দিষ্ট সমাধান নেই। কমিটি সতর্ক করেছে যে, আইডিবিআই ব্যাংক বিক্রি এবং সিপিএসই চুক্তির মতো লেনদেনে কর্মী স্বল্পতা বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
এই রিপোর্ট যা প্রতিষ্ঠিত করেছে, তার বাইরে গিয়ে বলা যায় না যে প্রতিটি সরকারি সংস্থা ব্যর্থ হচ্ছে। কিন্তু অস্থায়ী নেতৃত্ব এবং স্বতন্ত্র পরিচালকের অভাবকে সাধারণ বিষয় হিসেবে দেখা, বিশেষ করে সরকারি অর্থ পরিচালনাকারী সংস্থাগুলির ক্ষেত্রে, সমানভাবে উদাসীনতার পরিচায়ক। সরকারের নিয়োগের জন্য একটি প্রকাশ্য সময়সূচি এবং ডিআইপিএএম-এর কর্মী পরিকল্পনার একটি স্পষ্ট বিবরণ প্রয়োজন। পরবর্তী পর্যালোচনার আগে ৫৩৩টি স্বতন্ত্র পরিচালকের শূন্য পদ এবং ৫৩টি সিএমডি পদ পূরণ করা যায় কিনা, সেটাই প্রথম পরীক্ষা।
সূত্র: hindustantimes.com
এই বিবরণটি উল্লিখিত সূত্র থেকে এআই দ্বারা সংশ্লেষিত হয়েছে।