
US Trade Representative Jamieson Greer has told Canada it must scrap retaliatory trade measures against American products to avoid 50% duties on an additional $20 billion of Canadian goods from August 19.…
মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার কানাডাকে সতর্ক করে বলেছেন যে ১৯ আগস্ট থেকে অতিরিক্ত ২০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের কানাডীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক এড়াতে তাদের মার্কিন পণ্যের বিরুদ্ধে নেওয়া প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। আইওয়া স্টেট ফেয়ারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে গ্রিয়ার বলেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চায় কানাডার প্রদেশগুলো যেন মার্কিন অ্যালকোহল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় এবং দুগ্ধজাত পণ্যের সুরক্ষা ও ক্রয় সংক্রান্ত নিয়মাবলীর বিষয়গুলো সমাধান করে। তিনি ওয়াশিংটনে চলমান আলোচনাকে গঠনমূলক বলে অভিহিত করলেও স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে কোনো প্রকার প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ সহ্য করা হবে না।
কানাডার প্রদেশগুলো এই বিষয়ে শর্তসাপেক্ষ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। কুইবেকের অর্থনীতি মন্ত্রী বলেছেন যে দুগ্ধজাত পণ্যের কোটা বণ্টনের বিষয়টি আলোচনার যোগ্য তবে তার বিনিময়ে কানাডাকেও কিছু সুবিধা পেতে হবে। ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার প্রিমিয়ার জানিয়েছেন যে সফটউড লাম্বার বা কাঠ সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিবাদের সমাধান প্রয়োজন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাবি তারা কোনো বাণিজ্য যুদ্ধ চালাচ্ছে না বরং নিজেদের অভ্যন্তরীণ সরবরাহ ব্যবস্থা রক্ষা করছে। অন্যদিকে কানাডার নেতারা সতর্ক করেছেন যে নতুন এই শুল্ক আরোপ হলে তা তাদের অর্থনীতিতে বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হবে।
উভয় পক্ষই বিষয়টিকে নীতিগত অবস্থান হিসেবে তুলে ধরছে কিন্তু আসল ঘটনা হলো দুগ্ধ এবং কাঠ নিয়ে চলা সেই পুরনো বিবাদ যা ট্রাম্প আমলেরও আগে থেকে চলে আসছে। কানাডার সরবরাহ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি যেমন রক্ষণশীল তেমনি সফটউড লাম্বারের ওপর মার্কিন শুল্কও সমানভাবে স্বার্থপ্রণোদিত। হঠাত করে শুরু হওয়া বাণিজ্য যুদ্ধের আখ্যান दशकों ধরে চলে আসা এই বিবাদকে উপেক্ষা করে। ১৯ আগস্টের সময়সীমা প্রমাণ করবে যে দুগ্ধজাত পণ্যের কোটা নিয়ে কুইবেকের শর্তসাপেক্ষ প্রস্তাব অচলাবস্থা কাটাতে যথেষ্ট কি না অথবা উভয় দেশের রাজধানীগুলো পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপের পুরনো ধারা বজায় রাখতে চায় কি না।
সূত্র: livemint.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত তথ্যের ভিত্তিতে এআই দ্বারা সংকলিত হয়েছে।