
Rahul Gandhi, taking a swipe at PM Modi's 'hug diplomacy', recounted a 1982 White House dinner where his grandmother Indira Gandhi returned furious, telling Sonia Gandhi: 'These Americans take me for a…
প্রধানমন্ত্রী মোদীর আলিঙ্গন কূটনীতির সমালোচনা করতে গিয়ে রাহুল গান্ধী ১৯৮২ সালের হোয়াইট হাউসের একটি নৈশভোজের কথা উল্লেখ করেছেন। সেখানে তার দাদি ইন্দিরা গান্ধী অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হয়ে সোনিয়া গান্ধীকে বলেছিলেন যে আমেরিকানরা তাঁকে নির্বোধ মনে করে। ইন্দিরার ধারণা ছিল ফার্স্ট লেডি ন্যান্সি রিগান ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর শাড়ির রঙের পোশাক পরেছিলেন। রাহুল বলেন যে একজন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব হলো দেশকে রক্ষা করা কেবল বন্ধুত্ব তৈরি করা নয়।

এই ঘটনাটি ইন্দিরা গান্ধীর আমলে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের উত্তপ্ত সম্পর্কের কথা মনে করিয়ে দেয়। ১৯৬৬ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি গমের সাহায্যের শর্ত নিয়ে অপমানিত বোধ করেছিলেন। নিক্সনের আমলে সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছিল। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে সমর্থন দিলে নিক্সন তাঁকে কুরুচিকর ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন এবং কিসিঞ্জারও তাঁর বিরুদ্ধে অপমানজনক শব্দ ব্যবহার করেছিলেন।
পোশাকের রং নিয়ে একটি ছোট ঘটনা ব্যবহার করে মোদীর কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে ছোট করা একেবারেই অগভীর চিন্তা। এটি ব্যক্তিগত রুচি ও কৌশলগত গুরুত্বের মধ্যে গুলিয়ে ফেলার শামিল। ওয়াশিংটনের সাথে ইন্দিরার বিরোধের মূল কারণ ছিল ভিয়েতনাম ও পাকিস্তান নিয়ে স্নায়ুযুদ্ধের প্রেক্ষাপট ও জোট নিরপেক্ষ নীতি। এটি কোনো ফার্স্ট লেডির পোশাক নিয়ে ছিল না। যেকোনো ভারতীয় নেতার আসল পরীক্ষা হলো প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে দেশটি কতটা লাভবান হচ্ছে। ছবির চেয়ে বাণিজ্য চুক্তি কি বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়? ক্ষমতায় যে দলই থাকুক না কেন ভোটারদের এই প্রশ্নটিই করা উচিত।
সূত্র: indiatoday.in
এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় প্রকাশিত হয়েছে।