
Wardens and deputy wardens at Odisha’s Ravenshaw University have resigned amid a dispute with Cuttack Sadar MLA Prakash Chandra Sethi. The resignations have affected administration at all 13 hostels, including six for…
ওড়িশার রেভেনশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়ার্ডেন ও ডেপুটি ওয়ার্ডেনরা কটক সদরের বিধায়ক প্রকাশ চন্দ্র শেঠির সঙ্গে বিবাদের জেরে পদত্যাগ করেছেন। দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী এই পদত্যাগের ফলে মহিলা হোস্টেলসহ মোট ১৩টি হোস্টেলের প্রশাসনিক ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। রেভেনশ ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন আচার্য ও রাজ্যপাল হরি বাবু কাম্ভামপাটির হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়ে জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের সীমা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছে।
শিক্ষকদের অভিযোগ ইস্ট হোস্টেলের অশান্তি ও অনশন চলাকালীন বিধায়ক শেঠি হস্তক্ষেপ করেছেন এবং কর্মীদের অপমান করেছেন। শেঠি দুর্ব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান ওয়ার্ডেন সুদর্শন মিশ্রের বিরুদ্ধে রাজনীতি করা ও হোস্টেল পর্যবেক্ষণে ব্যর্থতার পাল্টা অভিযোগ তুলেছেন। অ্যাসোসিয়েশন আরও জানিয়েছে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেনেট আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়নি যা বিধায়কের হস্তক্ষেপের যৌক্তিকতাকে দুর্বল করেছে। উপাচার্য অর্কা কুমার দাস মহাপাত্র উভয় পক্ষকে বিবাদ মিটিয়ে ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন।
সহজ ব্যাখ্যায় হয় কোনো হস্তক্ষেপকারী রাজনীতিবিদ অথবা কোনো একগুঁয়ে শিক্ষককে দায়ী করা যেতে পারে। তবে প্রতিবেদনগুলি কোনোটিকেই পুরোপুরি সমর্থন করে না। কর্মীদের অভিযোগ বিধায়কের পাল্টা দাবি এবং সেনেটের বিতর্কিত মর্যাদা নিয়ে পাল্টা বিবৃতির বদলে একটি আনুষ্ঠানিক নথির প্রয়োজন। তাৎক্ষণিক উদ্বেগটি ব্যবহারিক কারণ ১৩টি হোস্টেলের জন্য কার্যকরী তত্ত্বাবধান জরুরি। আচার্যের হস্তক্ষেপে ঘটনার একটি নিরপেক্ষ চিত্র উঠে আসা উচিত এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়ে কে হস্তক্ষেপ করতে পারবে তা নিয়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা তৈরি হওয়া দরকার।
সূত্র (২): thehindu.com, newindianexpress.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত দুটি সূত্র ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।
আপডেট: এই প্রতিবেদনটি এখন দুটি সূত্রের উপর ভিত্তি করে তৈরি।