
The Vatsalya Childcare Centres in Tumakuru, launched in 2022 for children of government employees, are running on a tight budget. The Women and Child Development Department provides Rs 15 per child daily,…
সরকারি কর্মীদের সন্তানদের জন্য ২০২২ সালে তুমকুরুতে চালু হওয়া বাৎসল্য চাইল্ডকেয়ার সেন্টারগুলো বর্তমানে চরম আর্থিক টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। নারী ও শিশু উন্নয়ন দপ্তর প্রতিদিন শিশুপ্রতি মাত্র ১৫ টাকা বরাদ্দ করে যা উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে প্রদান করা হয়। দুটি সেন্টারে মোট ৪৮ জন শিশু থাকলেও মাসে ৩০ হাজার থেকে ৩৩ হাজার টাকা বরাদ্দে শিক্ষক ও সহকারীদের বেতন এবং দুপুরের খাবার ও জলখাবারের খরচ মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে। উল্লেখ্য যে সেন্টার চালুর পর থেকে শিক্ষকদের ১০ হাজার টাকা এবং সহকারীদের ৬ হাজার টাকা সম্মাননা ভাতার কোনো বৃদ্ধি ঘটেনি।
সেন্টারগুলো দপ্তরের তত্ত্বাবধানে শারদম্বা স্ত্রী শক্তি ফেডারেশন দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। ফেডারেশনের ভাষ্যমতে, মূলত সদস্যদের কর্মসংস্থানের স্বার্থেই তারা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু পর্যাপ্ত তহবিলের অভাবে এই প্রকল্পটি এখন তাদের জন্য আর্থিক বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ডেকান হেরাল্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকারের পক্ষ থেকে বর্ধিত সহায়তা না মিললে এই মডেলটির টিকে থাকা অনিশ্চিত।
বাৎসল্য সেন্টারগুলোর লক্ষ্য ছিল কর্মজীবী মায়েদের সাহায্য করা, কিন্তু এখানকার হিসেব অত্যন্ত হতাশাজনক। শিশুপ্রতি দৈনিক ১৫ টাকা হিসেবে সরকার মাসে মাথাপিছু মাত্র ৭২০ টাকা খরচ করছে, যেখানে চার বছরেও কর্মীদের সম্মাননা ভাতা এক পয়সাও বাড়েনি। সরকারি প্রকল্পগুলো খুব উদার—এমন প্রচার তৃণমূল পর্যায়ের এই কঠিন বাস্তবতাকে আড়াল করে। ফেডারেশনের স্বীকারোক্তি থেকেই স্পষ্ট যে, কর্মসংস্থানের আশায় চালানো এই মডেলটি দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়। আগামী ত্রৈমাসিক বরাদ্দের সময় বোঝা যাবে তুমকুরুর এই সেন্টারগুলো টিকে থাকবে নাকি কর্মী সংকটে চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে।
সূত্র: deccanherald.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া উৎসের তথ্যের ভিত্তিতে এআই দ্বারা তৈরি।