
The Trump administration is shifting away from military action against Cuba and instead focusing on tightening sanctions to cut off funds to the Castro family and military leadership, according to people familiar…
ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন ও টাইমস নাও-এর তথ্য অনুযায়ী কিউবার কাস্ত্রো পরিবার ও সামরিক নেতৃত্বের আর্থিক উৎসগুলো বিচ্ছিন্ন করতে নিষেধাজ্ঞার কড়াকড়ির ওপর মনোযোগ দিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। তারা এখন আর কিউবার বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের পথে হাঁটছে না। মার্কিন প্রশাসন তেলের জাহাজ আটকাতে নৌ-অবরোধ আরোপ করেছে যার ফলে দেশজুড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও মানবিক সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কিউবা রাজনৈতিক পরিবর্তনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিলেও মার্কিন কর্মকর্তাদের ধারণা, সরকারের আয় কমিয়ে দিলে শাসন ব্যবস্থার ভেতরে ফাটল ধরানো সম্ভব।
ইরানের সাথে চলমান অজনপ্রিয় সংঘাতের কারণে সামরিক বিকল্পগুলোকে আপাতত গুরুত্বহীন করে রাখা হয়েছে। মে মাসে সিআইএ পরিচালক জন র্যাটক্লিফ কিউবা সফর করে ট্রাম্পের কঠোর অবস্থানের বার্তা দিয়েছিলেন। ভেনিজুয়েলার নেতার আটকের প্রসঙ্গ টেনে তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে ট্রাম্পকে গুরুত্বের সাথে নেওয়া উচিত। তবে ছোট একটি দ্বীপে বোমাবর্ষণ করে কী অর্জন করা সম্ভব তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে। ফ্লোরিডার রিপাবলিকান আইন প্রণেতা কার্লোস গিমেনেজের মতো নেতারা এখনো দাবি করছেন যে কিউবার বর্তমান শাসন ব্যবস্থাকে দ্রুত ভেঙে ফেলা সম্ভব।
গত ছয় দশকের বেশি সময় ধরে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কিউবায় রাজনৈতিক পরিবর্তন আনতে ব্যর্থ হয়েছে। তবুও ট্রাম্প প্রশাসন নতুন কৌশলের আশায় অর্থনৈতিক চাপের ওপরই ভরসা রাখছে। অন্যদিকে ফ্লোরিডার আইন প্রণেতারা যে দ্রুত শাসন ব্যবস্থা পরিবর্তনের কথা বলছেন তা কেবল লোক দেখানো রাজনীতি। আসল পরীক্ষা হলো নিষেধাজ্ঞা কি সত্যিই আলোচনার পথ তৈরি করবে নাকি মানবিক সংকট আরও গভীর করবে। হোয়াইট হাউস কিউবার ভেতরে গ্রহণযোগ্য কোনো বিকল্প নেতাকে সামনে আনতে পারে কি না তা দেখার বিষয়। এখন পর্যন্ত তেমনটা ঘটেনি।
সূত্র: timesnownews.com
এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে উপরের সূত্রের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে।