
The BSE has issued a measure targeting companies with high promoter and non-promoter share encumbrance. The move is part of efforts to improve transparency around pledged shares. Details of the specific thresholds…
প্রোমোটার এবং অ-প্রোমোটারদের উচ্চহারে শেয়ার বন্ধক রাখা সংস্থাগুলিকে চিহ্নিত করে পদক্ষেপ নিল বিএসই। বন্ধক রাখা শেয়ারের তথ্য আরও স্বচ্ছ করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে ত্রুটি থাকায় নির্দিষ্ট সীমারেখা বা নিয়মাবলী সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি। সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকটি কর্পোরেট সংস্থায় অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এখন শেয়ার সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশের নিয়ম আরও কঠোর করবে বলে আশা করছেন লগ্নিকারীরা।
এই পদক্ষেপ অনেক আগেই নেওয়া উচিত ছিল কিন্তু এর কার্যকারিতা নির্ভর করছে সঠিক প্রয়োগের ওপর। শেয়ার এক্সচেঞ্জ কি সত্যিই সেইসব সংস্থাকে চিহ্নিত করবে যারা তাদের মোট শেয়ারের ৫০ শতাংশের বেশি বন্ধক রেখেছে নাকি এটি কেবল খাতায় কলমে নিয়ম পালনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে? আসল পরীক্ষা হলো এই পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রোমোটাররা অ-প্রোমোটারদের মাধ্যমে করা শেয়ার বন্ধকের প্রকৃত মালিকানা প্রকাশ করতে বাধ্য হন কিনা নাকি এটি কেবল নিয়মকানুনের বেড়াজালে আটকে থাকে।
সূত্র: bseindia.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত তথ্যের ভিত্তিতে এআই-এর মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে।