
The Calcutta High Court on Friday questioned the West Bengal government's plan to deploy school teachers for Census 2027 duties while expecting them to continue teaching. Justice Krishna Rao asked how teachers…
আদমশুমারি ২০২৭-এর কাজে বিপুল সংখ্যক সরকারি স্কুলের শিক্ষক নিয়োগ এবং একইসঙ্গে তাদের নিয়মিত পাঠদান চালিয়ে যেতে বলার সরকারি সিদ্ধান্তের বিষয়ে শুক্রবার প্রশ্ন তুলেছে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি কৃষ্ণ রাও জানতে চেয়েছেন কীভাবে শিক্ষকরা স্কুলের সময়ের মধ্যে ক্লাস নেবেন এবং তারপর বাড়ি বাড়ি গিয়ে আদমশুমারির কাজ করবেন, যার জন্য তাদের প্রতিদিন ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত পথ ভ্রমণ করতে হতে পারে।
শিক্ষকদের একটি দল আদালতের দ্বারস্থ হয়ে দাবি জানিয়েছে যে আদমশুমারির কাজকে স্কুলের কাজের পরবর্তী সময় না ধরে ‘অন ডিউটি’ বা কর্তব্যরত হিসেবে গণ্য করা হোক। আদালত লক্ষ্য করেছে যে স্থানীয় সংস্থাগুলোর মধ্যে নিয়মকানুনের অসামঞ্জস্য রয়েছে। শিলিগুড়ি ও কল্যাণীর মতো পুরসভাগুলো শিক্ষকদের অন-ডিউটি মর্যাদা দিলেও কলকাতা পৌরনিগম তা দিচ্ছে না। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সমীক্ষা করার সময় হেনস্থার শিকার হওয়ার বিষয়েও শিক্ষকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী শিক্ষকরা সারাদিন স্কুলে পড়ানোর পর আদমশুমারির কাজে কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে বেড়াবেন, যা বাস্তবসম্মত নয় এবং অন্যায্য। শিক্ষকরা দায়িত্ব পালন করতে চাইছেন না, এমন ধারণা ভুল। তারা কেবল যুক্তিসঙ্গত ব্যবস্থা এবং সরকারিভাবে অন-ডিউটি মর্যাদার দাবি জানাচ্ছেন, যা কিছু পুরসভা ইতিমধ্যেই কার্যকর করেছে। সরকারের পরিকল্পনা ও যাতায়াতের দূরত্ব নিয়ে আদালতের করা কড়া প্রশ্নের উত্তরে সরকার কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়। সরকার কি রোটেশন পদ্ধতি চালু করবে না কি অবাস্তব সময়সূচীতেই অনড় থাকবে? এটি থেকেই বোঝা যাবে যে সরকার শিক্ষকদের গুরুত্ব দেয় নাকি কেবল তাদের উপস্থিতিকেই বড় করে দেখে।
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া উৎসের ভিত্তিতে এআই দ্বারা সংকলিত হয়েছে।