
Flooding and prolonged waterlogging have disrupted life across parts of Odisha, with residents reporting shortages, damaged homes and blocked access. In Jajpur, Deputy Chief Minister Pravati Parida visited areas affected by a…
ওড়িশার বিভিন্ন প্রান্তে বন্যা ও দীর্ঘস্থায়ী জলমগ্নতা জনজীবন বিপর্যস্ত করে তুলেছে। ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দারা ত্রাণ সামগ্রীর অভাব ঘরবাড়ি নষ্ট হওয়া এবং চলাচলের রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। জাজপুরে কানাই নদীর বাঁধ ভেঙে প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন উপ-মুখ্যমন্ত্রী প্রভাতী পরিদা। বাসিন্দারা ত্রাণ সামগ্রী স্বাস্থ্য পরিষেবা ও ত্রিপলের দাবি জানালেও কর্মকর্তারা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখে মেরামতির নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারী বৃষ্টির জেরে বালেশ্বর শহর ফের হাঁটু সমান জলে ডুবেছে। বাসিন্দারা ড্রেন পরিষ্কার না থাকা ও বেআইনি নির্মাণকে এর জন্য দায়ী করেছেন। ওড়িশা টিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী ভুবনেশ্বরের হরিদাসপুরে ২০ থেকে ২৫ দিন ধরে হাঁটু থেকে কোমর সমান জল জমে আছে। এর ফলে ঘরবাড়ি স্কুল ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ বিএমসি-র পাম্পগুলো অকেজো অথবা সেগুলোর সঠিক ব্যবহার হচ্ছে না। এ বিষয়ে বিএমসি-র কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বন্যার সব অভিযোগকেই প্রশাসনিক ব্যর্থতা বলা যেমন আলস্যের লক্ষণ তেমনি বাসিন্দারা ত্রাণ পাওয়ার জন্য বাড়াবাড়ি করছেন এমন দাবিও ভিত্তিহীন। এই প্রতিবেদনগুলো বাঁধ ভাঙা থেকে শুরু করে নিকাশি ও পাম্পের ত্রুটির মতো ভিন্ন ভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেছে। তবে সব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। প্রশাসনের উচিত ত্রাণ বিতরণের নথি পাম্প চালানোর লগবুক এবং মেরামতির সময়সীমা প্রকাশ করা। পরবর্তী ভারী বৃষ্টির আগে জল নেমেছে কি না এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হয়েছে কি না সেটিই হবে প্রকৃত পরীক্ষা।
সূত্র (৩): odishatv.in, odishatv.in (২), odishatv.in (৩)
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত ৩টি সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে এআই দ্বারা সংকলিত।
আপডেট: এই প্রতিবেদনটিতে এখন ৩টি সূত্রের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে।