
Eligible H-1B registrations fell 38.5% to 211,600 for the US fiscal year 2027, according to USCIS data cited by Greatandhra.com. The figure is the lowest in at least seven years and compares…
গ্রেটঅন্ধ্রা ডট কমের উদ্ধৃত ইউএসসিআইএস তথ্য অনুযায়ী, ২০২৭ মার্কিন অর্থবর্ষের জন্য যোগ্য এইচ-১বি নিবন্ধনের সংখ্যা ৩৮.৫ শতাংশ কমে ২,১১,৬০০ হয়েছে। গত বছরের ৩,৪৩,৯৮১টি নিবন্ধনের তুলনায় এই সংখ্যা গত সাত বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। ২০২৪ সালে এই নিবন্ধনের সংখ্যা সর্বোচ্চ ৭,৫৮,৯৯৪-এ পৌঁছেছিল। অতিরিক্ত খরচ, লটারির নিয়ম পরিবর্তন, বেতনের অগ্রাধিকার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে নিয়োগ পরিকল্পনা বদলে যাওয়ায় ভারতীয় প্রযুক্তি সংস্থাগুলো এখন এইচ-১বি ভিসার ওপর তাদের নির্ভরশীলতা পুনর্বিবেচনা করছে।
ল-কোয়েস্টের ম্যানেজিং পার্টনার পূর্বী চোথানি জানিয়েছেন যে এআই এবং সংশোধিত নির্বাচন পদ্ধতি এই পতনের অন্যতম কারণ। মার্কিন ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটির একটি প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী এইচ-১বি এক্সটেনশনের জন্য ৪,০০০ ডলার এবং এল-১ এক্সটেনশনের জন্য ৪,৫০০ ডলার পর্যন্ত অতিরিক্ত ফি ধার্য হতে পারে। এই প্রস্তাবটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এইচ-১বি রিনিউয়াল বা নবীকরণের ক্ষেত্রে ৭৭.৬ শতাংশই ভারতীয় নাগরিক, ফলে স্পনসরশিপের খরচ বৃদ্ধি পেলে তারা সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হবে।
অনেকেই হয়তো এই তথ্যকে আমেরিকায় ভারতীয় প্রযুক্তিশিল্পের পতন কিংবা বিদেশের কর্মীদের জায়গায় এআই-এর আধিপত্য হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করবেন। তবে শুধু একটি নিবন্ধনের সংখ্যার ভিত্তিতে এমন সিদ্ধান্তে আসা ঠিক নয়। খরচ, নির্বাচনের নিয়ম, স্থানীয় নিয়োগ এবং অফশোর ডেলিভারির মতো বিষয়গুলোও এখন সিদ্ধান্ত গ্রহণকে প্রভাবিত করছে এবং পুরনো অনুমোদনগুলো এখনও কার্যকর আছে। আসল পরীক্ষা হবে প্রস্তাবিত ফি চূড়ান্ত হওয়ার পর ভারতীয় সংস্থাগুলো নতুন করে আবেদন কমিয়ে দেয় কি না এবং পরের বছর নিবন্ধনের সংখ্যা ২ লক্ষের নিচে নেমে যায় কি না।
সূত্র: greatandhra.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত সূত্র থেকে এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।