
Doctors at King George’s Medical University (KGMU) in Lucknow successfully treated an eight-year-old girl born with a near-complete duplication of the colon. The girl, Divya from Ambedkar Nagar, had been passing stool…
লখনউয়ের কিং জর্জ’স মেডিকেল ইউনিভার্সিটির (কেজিএমইউ) চিকিৎসকরা জন্মগতভাবে প্রায় সম্পূর্ণ ডুপ্লিকেশন বা জোড়া কোলন নিয়ে জন্মানো আট বছর বয়সী এক শিশুর সফল চিকিৎসা করেছেন। শুক্রবার হাসপাতালের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আম্বেদকর নগরের বাসিন্দা দিব্যা নামে ওই শিশুটি জন্মের পর থেকেই স্বাভাবিক মলত্যাগের পাশাপাশি যোনিপথের নিচে থাকা একটি অতিরিক্ত ছিদ্র দিয়ে মলত্যাগ করত।
পেডিয়াট্রিক সার্জন অধ্যাপক আনন্দ পাণ্ডের নেতৃত্বাধীন একটি দল এই বিরল শারীরিক জটিলতা শনাক্ত করেন। সিটি স্ক্যানের মাধ্যমে রোগ নিশ্চিত হওয়ার পর তিন ঘণ্টার এক জটিল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অতিরিক্ত কোলনটিকে স্বাভাবিক কোলন থেকে আলাদা করে একটি সাধারণ নালীর সঙ্গে যুক্ত করা হয়। শিশুটি এখন পুরোপুরি সুস্থ এবং সেই অস্বাভাবিক ছিদ্র দিয়ে মলত্যাগ বন্ধ হয়েছে। অস্ত্রোপচারের খরচ মুখ্যমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে বহন করা হয়েছে।
এই ঘটনাটি সরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে লুকিয়ে থাকা দক্ষতার এক অনন্য নিদর্শন, যা প্রায়ই দুর্নীতি বা ভিড়ের খবরের আড়ালে ঢাকা পড়ে যায়। অস্ত্রোপচারটি প্রযুক্তিগত দিক থেকে বড় সাফল্য হলেও আসল প্রশ্ন থেকে যায় পরিবারটির সংগ্রামের জায়গা থেকে। কেন জন্মগতভাবে দৃশ্যমান এই সমস্যাটি আগে চিকিৎসা করা হয়নি এবং গ্রামীণ এলাকায় কত শিশু এই বিশেষায়িত চিকিৎসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে? আসল পরীক্ষা হলো, কেজিএমইউ-এর পেডিয়াট্রিক সার্জারি বিভাগ এমন আরও কেস সামলানোর জন্য প্রয়োজনীয় স্বীকৃতি ও সম্পদ পায় কি না, তা দেখা।
সূত্র: hindustantimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া সূত্রের ভিত্তিতে এআই-এর সহায়তায় তৈরি করা হয়েছে।