
The Lok Sabha passed the Bankers’ Books Evidence Bill on Wednesday without debate, amid protests and sloganeering by opposition members. The House was adjourned during Question Hour and later passed the bill…
বিরোধী দলের সাংসদদের প্রতিবাদ ও স্লোগান দেওয়ার মধ্যেই বুধবার কোনো আলোচনা ছাড়াই লোকসভায় ব্যাংকার্স বুকস এভিডেন্স বিল পাশ হয়েছে। প্রশ্নোত্তরের সময় কক্ষ মুলতবি করা হয় এবং পরে ধ্বনিভোটে বিলটি পাশ হয়। সরকার পক্ষের দাবি বিরোধীরা পরিকল্পিতভাবে সংসদীয় কাজে বাধা সৃষ্টি করেছে।
অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ পেশ করা এই বিলটি ১৮৯১ সালের পুরনো আইনকে প্রতিস্থাপন করবে। এর ফলে আদালত এখন থেকে ডিজিটাল ও ভার্চুয়াল রেকর্ডকে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করতে পারবে। এছাড়া ব্যাংকের নথিপত্রের আওতায় শারীরিক, ডিজিটাল, ভার্চুয়াল, ক্লাউড-ভিত্তিক ও অন্যান্য রেকর্ডকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু এই অধিবেশন চলাকালীন বিরোধী দলগুলোর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অভিযোগ তুলেছেন।
বিলটির প্রযুক্তিগত উদ্দেশ্য স্পষ্ট হলেও কোনো আলোচনা ছাড়া এটি পাশ হওয়ার ফলে সাধারণ মানুষের পক্ষে এর খুঁটিনাটি বোঝা কঠিন। প্রতিবাদের সময় করা রাজনৈতিক দাবিগুলোকে মন্ত্রীর ব্যক্তিগত মন্তব্য হিসেবেই দেখা উচিত এবং এগুলোকে প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে গণ্য করা ঠিক নয়। বিরোধীদের কাজে বাধা এবং সরকারের অভিযোগ দুটি বিষয়ই সমানভাবে খতিয়ে দেখার প্রয়োজন আছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে পাঠকদের সংসদীয় রেকর্ড ও বিস্তারিত প্রতিবেদনের ওপর নজর রাখা উচিত।
সূত্র: timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া উৎসের ভিত্তিতে এআই দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।