
Brazilian President Luiz Inácio Lula da Silva said on Friday his government has triggered a reciprocity law mechanism against US-imposed tariffs on Brazilian exports. The US under President Donald Trump slapped duties…
ব্রাজিলের রপ্তানি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত শুল্কের জবাবে পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে দেশটির পারস্পরিকতা আইন কার্যকর করার কথা জানিয়েছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুই ইনাসিও লুলা দা সিলভা। অন্যায্য বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে গত জুলাই মাসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন যুক্তরাষ্ট্র ব্রাজিলের কয়েকশ পণ্যের ওপর ৩৭.৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করে। ট্রাম্পের মিত্র ফ্লাভিও বলসোনারোর বিরুদ্ধে পুনর্নির্বাচনের লড়াইয়ে নামা লুলা এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন যে ব্রাজিল যে সম্মান পাওয়ার যোগ্য তা জানান দিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ব্রাজিলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনারও অনুরোধ জানিয়েছে।
এই বাণিজ্য বিরোধে লুলাকে আগ্রাসী হিসেবে দেখার বিষয়টি ভুল। কারণ শুরুতে ব্রাজিলীয় পণ্যের ওপর ৩৭.৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তাছাড়া শুল্ক বাড়ানোর আগে ট্রাম্পের মিত্র বলসোনারোসহ অন্যরা মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। ব্রাজিলের পারস্পরিকতা আইনটি আসলে একটি রক্ষণাত্মক কৌশল। উভয় পক্ষেরই বৈধ অভিযোগ রয়েছে। ওয়াশিংটন ব্রাজিলের ওপর অন্যায্য বাণিজ্য ও রাষ্ট্রদূত নিয়োগে বিলম্বের অভিযোগ আনছে। অন্যদিকে ব্রাসিলিয়া ভিসা বাতিল ও নির্বাচনে হস্তক্ষেপের ঘটনায় ক্ষুব্ধ। এখন দেখার বিষয় লুলা সত্যিই পাল্টা শুল্ক আরোপ করেন নাকি আলোচনার জন্য এই আইনকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন।
উৎস: newindianexpress.com
এই প্রতিবেদনটি ওপরে উল্লিখিত তথ্যের ভিত্তিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।