
Odisha-based Serendipity Space said it has successfully demonstrated drug crystallisation during a near-space mission, testing its orbital-class satellite prototype and autonomous pharmaceutical factory, Alchemy. The system operated in harsh space conditions and…
ওড়িশা-ভিত্তিক সেরেনডিপিটি স্পেস জানিয়েছে যে তারা একটি নিয়ার-স্পেস বা মহাকাশের কাছাকাছি মিশনে ড্রাগ ক্রিস্টালাইজেশনের সফল প্রদর্শন করেছে। এই মিশনে তাদের কক্ষপথীয় স্যাটেলাইট প্রোটোটাইপ এবং অ্যালকেমি নামক একটি স্বয়ংক্রিয় ফার্মাসিউটিক্যাল কারখানা পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রতিকূল মহাকাশ পরিস্থিতিতেও সিস্টেমটি কাজ করেছে এবং নিয়ন্ত্রিত উপায়ে ফিরে এসে ক্রিস্টাল বা স্ফটিকের গুণমান অক্ষুণ্ণ রেখেছে।
সিইও অন্তরিক্ষ পরিচা জানিয়েছেন যে মাইক্রোগ্রাভিটি বা অতি-মাধ্যাকর্ষণহীন পরিবেশে ক্রিস্টালের গঠন উন্নত হয় যা মনোফ্লোনাল অ্যান্টিবডির মতো ওষুধের দ্রাব্যতা ও স্থায়িত্ব বাড়াতে সাহায্য করে। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে ক্যান্সার নিরাময়ের ওষুধ কিট্রুডা নিয়ে মার্কের গবেষণার কাজ থেকেই এই প্রকল্পটি অনুপ্রেরণা পেয়েছে। টিআইএফআর হায়দরাবাদের বেলুন উৎক্ষেপণ দক্ষতা এই মিশনে কাজে লাগানো হয়েছে।
এই মাইলফলকটি অত্যন্ত চিত্তাকর্ষক হলেও মহাকাশ-ভিত্তিক ফার্মাকে সবসময় একটি নিকট-ভবিষ্যতের বিপ্লব হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। সেরেনডিপিটি স্পেস বেলুন মিশন থেকে সাশ্রয়ী কক্ষপথীয় উৎপাদনে যেতে পারে কিনা এবং মহাকাশে উৎপাদন খরচ কমাতে পারে কিনা সেটিই হবে আসল পরীক্ষা। মহাকাশ থেকে আসা ওষুধের ডোজ মাটির তৈরি ওষুধের চেয়ে সস্তা না হওয়া পর্যন্ত উত্তেজনার পারদ বাস্তবের চেয়ে বেশি থাকবে। কোম্পানির পরবর্তী কক্ষপথীয় প্রদর্শন এবং প্রতি গ্রাম ক্রিস্টালাইজড ওষুধের দামের দিকে নজর রাখা জরুরি।
সূত্র: rediff.com
এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে উপরের লিঙ্ক থেকে তৈরি করা হয়েছে।