
Nine women who surrendered from Naxal ranks in Sukma walked the ramp at a National Handloom Day event in Raipur, wearing heirloom sarees and traditional jewellery. Sukma SP Mayank Gurjar said some…
সুকমার নকশাল বাহিনী থেকে আত্মসমর্পণ করা নয়জন নারী জাতীয় তাঁত দিবস উপলক্ষে রায়পুরে ঐতিহ্যবাহী শাড়ি ও গয়না পরে র্যাম্পে হাঁটলেন। সুকমার পুলিশ সুপার ময়াঙ্ক গুর্জর জানিয়েছেন যে তাদের মধ্যে কেউ কেউ একসময় ব্যাটালিয়ন নম্বর ১-এর কমান্ডারদের গানার হিসেবে কাজ করতেন এবং একজন ইনসাস রাইফেলও বহন করতেন।
এই নারীরা রায়পুরে ছয় দিনের প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। একজন প্রাক্তন নকশাল হিন্দুস্তান টাইমসকে জানিয়েছেন যে এই অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট মন্ত্রীরাও উপস্থিত ছিলেন। পুনম দেবী নামে অপর একজন জানিয়েছেন যে ২০০৭ সালের নভেম্বরে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার পর ১২ জুলাই ২০২৫ সালে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। এই কর্মসূচিটি কেন্দ্রীয় ও ছত্তিশগড় সরকারের পুনর্বাসন নীতির অংশ।
আত্মসমর্পণকারী নকশাল নারীদের এই ফ্যাশন শো পুনর্বাসনকে একটি ইতিবাচক সাফল্যের গল্প হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। কিন্তু আসল পরীক্ষা র্যাম্পে হাঁটা নয় বরং এই নারীরা বস্তারে ফিরে গিয়ে কতখানি টেকসই জীবিকা মানসিক সমর্থন ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা পান সেটিই দেখার বিষয়। ছয় দিনের প্রশিক্ষণ বা ফটোশ্যুট কয়েক দশকের সংঘাতকে মুছে ফেলতে পারে না। ক্যামেরার সামনে শাড়ি পরে থাকা নয় বরং এক বছর পর এদের মধ্যে কতজন সত্যিই স্বাবলম্বী থাকেন সেদিকেই আমাদের নজর রাখতে হবে।
সূত্র: hindustantimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত সূত্র থেকে এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।