
US Treasury Secretary Scott Bessent has said the Trump administration will announce next week 'measures like have never been seen in the history of economic isolation' against Iran, as the war in…
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন যে ট্রাম্প প্রশাসন নৌ অবরোধের পাশাপাশি ইরানের ওপর এমন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে চলেছে যা অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতার ইতিহাসে আগে কখনো দেখা যায়নি। নিউজম্যাক্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান যে আগামী সপ্তাহে এই ঘোষণা আসতে পারে।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে বিমান হামলা চালালে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত শুরু হয় এবং ইরান এর জবাবে মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালায়। জুন মাসে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও আলোচনা থমকে গেছে এবং মাঝেমধ্যেই সংঘর্ষ চলছে। যদিও ইরানের অর্থনীতি ও অপরিশোধিত তেল রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিন্তু তেহরান কয়েক দশক ধরে নিষেধাজ্ঞা সামলে টিকে আছে। বৃহস্পতিবার হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়ার সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুটি ট্যাঙ্কারে হামলার ঘটনা ঘটে যেটিকে দেশটি জলদস্যুতা বলে অভিহিত করেছে।
ইরানের ওপর নতুন অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টির মার্কিন আখ্যান একটি মৌলিক সত্যকে এড়িয়ে যাচ্ছে। তা হলো ইরান ৪৭ বছর ধরে নিষেধাজ্ঞা এবং পূর্ণাঙ্গ নৌ অবরোধ সহ্য করেও তাদের পরমাণু কর্মসূচি বা হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ থেকে বিন্দুমাত্র সরেনি। ট্রাম্পের দাবি অনেকটা ফাঁপা শোনাচ্ছে কারণ তার নিজের অর্থদপ্তরও জানে না যে চীনা ক্রেতাদের ওপর গৌণ নিষেধাজ্ঞার বাইরে আর নতুন কী অস্ত্র তাদের হাতে আছে। আসল পরীক্ষা হলো ওয়াশিংটন সরাসরি বেইজিংকে লক্ষ্য করার সাহস দেখায় কি না। কারণ এটি ঘটলে বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে বড় ধস নামার এবং অনেক বড় সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি হবে।
সূত্র: livemint.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত সূত্র থেকে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।