
A Class 7 student from Civilian Vidyalaya in Kanpur Dehat's Rajpur block walked into a police outpost on Monday (August 10) to complain that his teacher, Saima Khan, spent class time on…
কানপুর দেহাতের রসধানের সিভিলিয়ান বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র মাধব মিশ্র শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ক্লাসে পড়াশোনা না করিয়ে ফোনে ব্যস্ত থাকার অভিযোগ জানিয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে নালিশ জানায়। সে স্কুলের বড় ছাত্রদের দ্বারা মারধরের অভিযোগও তোলে। পুলিশকর্মীরা তাকে নিয়ে স্কুলে পৌঁছালে শিক্ষিকা সায়মা খানের সাথে কথোপকথনের একটি ভিডিও সামনে আসে। ভিডিওতে শিক্ষিকাকে ছাত্রকে ধমক দিতে ও মারধরের হুমকি দিতে শোনা যায়।
আজতক-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর জেলা বেসিক শিক্ষা আধিকারিক প্রধান শিক্ষক অনুপম কুমার ও সহকারী শিক্ষিকা সায়মা খানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেছেন। পরবর্তীকালে ছাত্রটি আরেকটি ভিডিওতে স্কুল ও শিক্ষিকাকে নির্দোষ বলে দাবি করে জানায় যে আয়ুষের সাথে ঝগড়ার পর রাগের মাথায় সে পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়েছিল। ছাত্রের মা-ও স্কুলের পক্ষ নিয়েছেন।
এই ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় শিক্ষককে তড়িঘড়ি দোষী সাব্যস্ত করা এবং ছাত্রের প্রথম অভিযোগটিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে ধরে নেওয়ার মতো দুই ধরনের বাড়াবাড়ি দেখা যাচ্ছে। ভিডিওতে হুমকির বিষয়টি স্পষ্ট হলেও পড়াশোনায় গাফিলতি এবং মারধরের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। শিক্ষা দপ্তরের উচিত ছাত্র ও তার অভিভাবকসহ অন্যান্য শিক্ষার্থীদের বক্তব্য শোনা। নোটিশ কোনো চূড়ান্ত রায় নয় বরং তদন্ত রিপোর্টই জানাবে যে কার বিরুদ্ধে এবং কেন ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
সূত্র: aajtak.in
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লিখিত তথ্যের ভিত্তিতে এআই দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।