
Filmmakers globally are increasingly using artificial intelligence to speed up pre-production, VFX, trailers, and even entire shorts. Hollywood directors such as Martin Scorsese and Steven Soderbergh have adopted AI for storyboarding and…
বিশ্বজুড়ে চলচ্চিত্র নির্মাতারা প্রি-প্রডাকশন ভিএফএক্স ট্রেলার এমনকি পুরো স্বল্পদৈর্ঘ্যের সিনেমা তৈরির কাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়াচ্ছেন। মার্টিন স্করসেসি ও স্টিভেন সোডারবার্গের মতো হলিউড পরিচালক স্টোরিবোর্ড ও তথ্যচিত্রের দৃশ্যে এআই গ্রহণ করেছেন। ভারতে সরদার ২ সিনেমার ট্রেলারে ভিএফএক্স-এর জন্য এআই ব্যবহৃত হয়েছে এবং বিজয়-এর জানা নায়কান সিনেমার ট্রেলারে গুগল জেমিনির ওয়াটারমার্ক দেখা যাওয়ায় আলোচনা শুরু হয়েছে। বেঙ্গালুরু ইন্টারন্যাশনাল শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ২০২৬ সালের জন্য একটি বিশেষ এআই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতার ঘোষণা করেছে।

শিল্প সংশ্লিষ্টরা একমত যে এআই মানুষের সৃজনশীলতার বিকল্প হতে পারে না। চলচ্চিত্র নির্মাতা হানি ত্রেহান ও শ্রীধর রাঙ্গায়ন এটিকে একটি হাতিয়ার হিসেবে অভিহিত করেছেন যার জন্য সম্মতি ও কপিরাইট বিষয়ক নৈতিক নীতিমালা প্রয়োজন। বিআইএসএফএফ পরিচালক আনন্দ ভারাদরাজ জানিয়েছেন এআই চলচ্চিত্র নির্মাণ এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং বেশিরভাগ এন্ট্রি ১০ মিনিটের কম। এআই সমর্থকরা যুক্তি দেন যে এটি খরচ কমায় ও ছোট শহরের গল্পকারদের বিশাল সব জগত পর্দায় ফুটিয়ে তোলার সুযোগ করে দেয় যা অন্যথায় কেবল কাগজে কলমেই আটকে থাকত।

সিনেমায় এআই ব্যবহারের বিতর্কটি প্রায়শই প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ বনাম বিশুদ্ধবাদী ভয়ের মধ্যে দোদুল্যমান থাকে। উভয় পক্ষই মূল বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছে। এআই একটি যন্ত্র মাত্র কোনো স্রষ্টা নয়। আসল পরীক্ষা হলো মেশিন কোনো দৃশ্য বা কণ্ঠ নকল করতে পারে কিনা তা নয় বরং এটি দিয়ে তৈরি সিনেমা মানুষের মন জয় করতে পারে কিনা। বিআইএসএফএফ প্রতিযোগিতা ও হলিউডের পরীক্ষা-নিরীক্ষা একটি বাস্তব প্রশ্নের উত্তর দেবে সেটি হলো এআই সহায়তায় তৈরি কোনো চলচ্চিত্র কি কেবল গুণমানের ভিত্তিতে বড় কোনো পুরস্কার জিততে পারবে নাকি এর আকর্ষণ শুধুই নতুনত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।
সূত্র (২): deccanherald.com, timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া দুটি সূত্র থেকে এআই ব্যবহার করে সংকলিত হয়েছে।