
Civic bodies in Bengaluru and Mumbai have launched or carried out drives to clear footpaths of shops, hawkers and other obstructions. Bengaluru Central City Corporation removed more than 150 shops beside Victoria…
বেঙ্গালুরু ও মুম্বাইয়ের পুরসভাগুলি ফুটপাত থেকে দোকান হকার ও অন্যান্য বাধা সরাতে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে। বেঙ্গালুরু সেন্ট্রাল সিটি কর্পোরেশন ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের পাশের ১৫০টির বেশি দোকান উচ্ছেদ করেছে। অন্যদিকে লোকায়ুক্তের অভিযোগের ভিত্তিতে বেঙ্গালুরু ওয়েস্ট সিটি কর্পোরেশন বিজয়নগর ফুড স্ট্রিটের ২৫০ মিটার দীর্ঘ এলাকার ৩৫টি অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে দিয়েছে। মুম্বাইয়ে পুর কমিশনার অশ্বিনী ভিড়ে পেডেস্ট্রিয়ান ফার্স্ট প্রচারের আওতায় ফুটপাত পরিষ্কারের নির্দেশ দিয়েছেন। এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো ৩২০ কিলোমিটার ফুটপাত দখলমুক্ত করা। আধিকারিকরা জানান যে কিছু এলাকা হাসপাতাল রোগী অ্যাম্বুলেন্স শিক্ষার্থী এবং যানবাহন চলাচলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বেঙ্গালুরুর রিপোর্টগুলিতে ফুটপাত জবরদখল পার্কিং ও যানজট নিয়ে অভিযোগের উল্লেখ রয়েছে। দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্ট অনুযায়ী ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে অভিযানের আগে নোটিস দেওয়া হয়েছিল এবং পুর আধিকারিকরা এই দোকানগুলিকে অবৈধ বলে ঘোষণা করেছেন। বিক্রেতাদের পুনর্বাসন বা দীর্ঘমেয়াদী পর্যবেক্ষণের বিষয়ে রিপোর্টগুলিতে খুব কম তথ্য পাওয়া গেছে। মুম্বাইয়ের আধিকারিকরা কে ওয়েস্ট ওয়ার্ডের ৩৫৫টি সড়কের মধ্যে ২৭টি সড়ককে চিহ্নিত করেছেন যা প্রায় ৩৭.৭ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
রাস্তার প্রতিটি বিক্রেতাকে বাধা মনে করা যেমন একপেশে দৃষ্টিভঙ্গি তেমনি প্রতিটি উচ্ছেদকে নিগ্রহ বলে দাবি করাও সঠিক নয়। আসল পরীক্ষা হলো জীবিকার নিশ্চয়তা বিঘ্নিত না করে ফুটপাতকে পথচারীদের ব্যবহারের উপযোগী রাখা। পুরসভাগুলির উচিত নোটিস জারি করা এবং গণনার তালিকা ও পুনর্বাসন পরিকল্পনা জনসমক্ষে প্রকাশ করা। অভিযানের সাফল্য শুধুমাত্র প্রথম দিনে কতগুলো কাঠামো ভাঙা হলো তার ওপর নির্ভর করে না বরং ছয় মাস পরেও পথচারীরা ফুটপাত ব্যবহার করতে পারছেন কি না তার ওপর নির্ভর করে।
সূত্র (৩): newindianexpress.com, freepressjournal.in, timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত ৩টি সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে এআই দ্বারা তৈরি।
আপডেট: এই প্রতিবেদনটি এখন ৩টি সূত্রের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।