
Children from Karnataka have written letters to Earth expressing gratitude for its gifts and apologising for human harm. Khyathi Sadhu, 12, of Bengaluru, said reducing plastic use by even one packet could…
কর্ণাটকের খুদে পড়ুয়ারা পৃথিবীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এবং মানুষের কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চেয়ে খোলা চিঠি লিখেছে। বেঙ্গালুরুর ১২ বছর বয়সী খ্যাঁতি সাধু জানিয়েছে যে প্লাস্টিকের ব্যবহার একটি প্যাকেট কমালেও তা পৃথিবীর কষ্ট কিছুটা লাঘব করতে পারে। কোডাগুর ১২ বছরের যজ্ঞেশ কে জে জল বাঁচানো ও গাছ লাগানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। হুব্বলির ৮ বছর বয়সী সুধানভা কুলকার্নি তার চারপাশ পরিষ্কার রাখার অঙ্গীকার করেছে। ম্যাঙ্গালুরুর ১৪ বছর বয়সী সৈয়দা উমাইমা ফাতিমা লিখেছে যে একটি কণ্ঠস্বর হাজারো মানুষের হৃদয়কে জাগ্রত করতে পারে। পৃথিবী দিবস উপলক্ষে ডেকান হেরাল্ড এই চিঠিগুলো প্রকাশ করেছে।
পৃথিবী দিবস নিয়ে সাধারণত যে ধরনের আলোচনা শোনা যায় তা একাধারে অপরাধবোধ আর লোক দেখানো আবেগের দোলাচলে ঘোরে। তবে শিশুদের এই চিঠিগুলো এক ভিন্ন সুর তুলে ধরেছে যা সৎ এবং বাস্তবমুখী। বড়রা এগুলোকে নাবালকসুলভ বলে উড়িয়ে দিতে পারবেন না কারণ সেখানে প্লাস্টিক দূষণ ও বৃক্ষ নিধনের মতো সুনির্দিষ্ট ক্ষতিকারক দিকগুলো যেমন উল্লেখ রয়েছে তেমনি রয়েছে সুনির্দিষ্ট প্রতিজ্ঞাও। আসল পরীক্ষাটা হলো বড়রা যারা এই চিঠিগুলো পড়ছেন তারা কি নিজেদের জীবনেও এই আন্তরিকতা বজায় রাখবেন? আগামী বছর কি পৃথিবী দিবসে শুধুমাত্র চিঠি লেখার চেয়েও বেশি কিছু দেখা যাবে?
সূত্র: deccanherald.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত সূত্র থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।