
The DGCA has begun a detailed investigation after an Air India Airbus A320neo flying from Phuket to Delhi suffered a sudden altitude variation during cruise on Tuesday. The aircraft, carrying 137 passengers…
ফুকেট থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি এয়ারবাস এ৩২০নিও বিমানে মঙ্গলবার মাঝ আকাশে হঠাৎ উচ্চতার পরিবর্তনের ফলে তীব্র ঝাঁকুনির ঘটনায় বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে ডিজিসিএ। ১৩৭ জন যাত্রী এবং আটজন ক্রু সদস্য নিয়ে বিমানটি বেলা ১১টা ০৭ মিনিটে দিল্লিতে নিরাপদে অবতরণ করে। এয়ার ইন্ডিয়ার দাবি অনুযায়ী ১৩ জন যাত্রী ও চারজন ক্রু সদস্য আহত হয়েছেন। তবে দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার খবর অনুযায়ী অন্তত ১৪ জন এই ঘটনায় জখম হয়েছেন। এয়ারলাইন্সটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ঘটনার পরও বিমানটির চলাচল স্বাভাবিক ছিল।

বিমানটিকে হ্যাঙ্গারে সরিয়ে নিয়ে ফ্লাইট ডেটা ও ককপিট ভয়েস রেকর্ডার বাজেয়াপ্ত করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী রাম মোহন নাইডু জানিয়েছেন যে এই টার্বুলেন্স প্রায় পাঁচ মিনিট স্থায়ী ছিল। মেডিকেল টিম যাত্রী ও ক্রু সদস্যদের চিকিৎসা করেছে এবং অনেকেই ইতিমধ্যে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী চারজন ক্রু সদস্য এখনও চিকিৎসাধীন। ঘটনার আসল কারণ এখনও জানা যায়নি।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা সামান্য আতঙ্ক বলে প্রচার চালানো হবে। তবে কোনোটিই এখনও প্রমাণিত নয়। বিমানটির নিরাপদে নামা জরুরি ছিল ঠিকই কিন্তু মেরুদণ্ডের আঘাতের মতো গুরুতর জখমের বিষয়টি উপেক্ষা না করে যথাযথ অনুসরণ প্রয়োজন। দ্য হিন্দু বিজনেসলাইনের ১৭ জন আহত হওয়ার খবরের সাথে টাইমস অফ ইন্ডিয়ার ভিন্ন সংখ্যার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা দরকার। ডিজিসিএ-র রেকর্ডার সংক্রান্ত তথ্য এবং চূড়ান্ত স্বাস্থ্য প্রতিবেদনই ঘটনার আসল সত্য সামনে আনবে।
সূত্র (৩): thehindubusinessline.com, timesofindia.indiatimes.com, timesofindia.indiatimes.com (২)
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত ৩টি সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে এআই দ্বারা সংকলিত।
আপডেট: এই প্রতিবেদনটিতে এখন ৩টি সূত্র ব্যবহার করা হয়েছে।