
Former Cambridge professor Jason Arday, 41, was found unresponsive at a property in Battersea, south London, and pronounced dead on Friday. The Metropolitan Police said the death was unexpected but not believed…
২০২৩ সালে ৩৬ বছর বয়সে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বকনিষ্ঠ কৃষ্ণাঙ্গ অধ্যাপক হওয়া জেসন আরডে শুক্রবার ৪১ বছর বয়সে মারা গেছেন। লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ ব্যাটারসি এলাকার একটি ঠিকানা থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে এবং ঘটনাস্থলেই মৃত ঘোষণা করে। পুলিশ জানিয়েছে তার মৃত্যু অপ্রত্যাশিত হলেও সন্দেহজনক নয়। তার পরিবার দাবি করেছে কেমব্রিজে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তিনি ক্রমাগত অপপ্রচারের শিকার হয়েছিলেন এবং এই ভুল তথ্যের প্রচার জেসনের পক্ষে মেনে নেওয়া কঠিন ছিল।

পিএইচডি থিসিসে জালিয়াতি এবং দাতব্য দৌড় নিয়ে অতিরঞ্জিত দাবির অভিযোগ ওঠার পর গত সপ্তাহে তিনি পদত্যাগ করেন। টেলিগ্রাফ তার থিসিসের ১০০টিরও বেশি অনুচ্ছেদের সঙ্গে অন্য একটি গবেষণাপত্রের মিল খুঁজে পায়। কেমব্রিজ শুরুতে তাকে এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সমর্থন দিলেও পরে তার নিয়োগ নিয়ে তদন্ত শুরু করে। এই সপ্তাহেই তার স্মৃতিকথা প্রকাশিত হয়েছে।

জনমনে দুটি বিপরীতমুখী মত তৈরি হয়েছে। এক পক্ষ মনে করছে আরডে বর্ণবাদী অপপ্রচারের শিকার হয়েছেন। অন্য পক্ষের মতে একজন ত্রুটিপূর্ণ রেকর্ডের পণ্ডিত নিজের পরিচয়কে ব্যবহার করে যাবতীয় দায়বদ্ধতা থেকে বাঁচার চেষ্টা করেছেন। কেমব্রিজ শুরুতে তাকে সমর্থন করলেও পরে তদন্ত শুরু করে। তার পরিবার মৃত্যুর জন্য ভুল তথ্যের অপপ্রচারকে দায়ী করেছে। পিএইচডি এবং নিয়োগের বিষয়ে স্বাধীন তদন্তের ফলাফলই হবে আসল পরীক্ষা। জালিয়াতি প্রমাণিত হলেও তা তাকে করা বর্ণবাদী দুর্ব্যবহারকে মুছে দেয় না। আবার বর্ণবাদী আচরণের শিকার হওয়ার অর্থ এই নয় যে দায়বদ্ধতা এড়িয়ে যাওয়া যাবে। প্রশ্ন হলো একটি বিশ্ববিদ্যালয় কি একই সঙ্গে সত্যের সন্ধান এবং মানবিকতা রক্ষা করতে পারে?
সূত্র (৩): hindustantimes.com, livemint.com, timesnownews.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত তিনটি সূত্রের ভিত্তিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে সংকলিত হয়েছে।