
Nearly 44% of institutional investors trimmed their Magnificent Seven holdings in the June quarter, while 42% added or started positions, according to a Reuters analysis of 13F filings from 6,371 funds. The…
রয়টার্সের ৬,৩৭১টি ফান্ডের ১৩এফ ফাইলিং বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জুন ত্রৈমাসিকে প্রায় ৪৪ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ম্যাগনিফিসেন্ট সেভেন শেয়ারের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন, যেখানে ৪২ শতাংশ বিনিয়োগকারী নতুন করে শেয়ার কিনেছেন বা বিনিয়োগ শুরু করেছেন। এক হেজ ফান্ড প্রতিষ্ঠাতার মতে, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ঐকমত্যের অভাবই এই পরিস্থিতির মূল কারণ। সেমিকন্ডাক্টর স্টকের প্রতি ঝোঁক বজায় রয়েছে, যার মধ্যে ৪৮ শতাংশ নিট ক্রেতা এবং ৩৪.৫ শতাংশ নিট বিক্রেতা ছিলেন। টাইগার গ্লোবাল মাইক্রোসফট, এনভিডিয়া, মেটা ও অ্যালফাবেটের শেয়ার কমালেও ইন্টেলের শেয়ার বাড়িয়েছে। অন্যদিকে জ্বালানি ও সফটওয়্যার সংস্থায় নিট বিক্রির প্রবণতা দেখা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, জুলাই মাসে প্রযুক্তিশিল্পের শেয়ারের দরপতন এআই নিয়ে অনাস্থার পরিবর্তে অতিরিক্ত বিনিয়োগ থেকে বেরিয়ে আসার ইঙ্গিত হতে পারে।
প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের সরে আসার খবরটি অতিরঞ্জিত। ক্রেতা ও বিক্রেতাদের প্রায় সমান ভাগাভাগি আতঙ্ক নয়, বরং সতর্কতামূলক পুনর্সমন্বয়ের ইঙ্গিত দেয়। এনভিডিয়া ও মাইক্রোসফটের মতো বড় কোম্পানিতে অনেক প্রতিষ্ঠানেরই ঝুঁকি নেওয়ার সীমা শেষ হয়ে গিয়েছিল। আসল পরীক্ষা আসবে তৃতীয় ত্রৈমাসিকের ফাইলিংয়ে। জুলাইয়ের দরপতন কি শেয়ার বিক্রির পূর্ণমাত্রার হিড়িকে পরিণত হয়েছে, নাকি তথ্যের ইঙ্গিত অনুযায়ী এটি কেবল অতিরিক্ত বিনিয়োগ কমিয়ে ফেলার প্রক্রিয়া ছিল? উত্তেজনাপূর্ণ খবরের পরিবর্তে সেই উত্তরই বলে দেবে এআই-এর ওপর বাজি আদৌ নড়বড়ে কি না।
সূত্র: livemint.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত তথ্যের ভিত্তিতে এআই দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।