
Chief Secretary Atal Dulloo chaired a meeting of the Tourism Department to review the renewed Homestay Policy, which aims to expand homestay infrastructure across Jammu & Kashmir, promote tourism in less-explored areas,…
জম্মু ও কাশ্মীরে হোমস্টে পরিকাঠামো বাড়ানো, পর্যটনের প্রসার এবং টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে রাজ্যের পর্যটন দপ্তরের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন মুখ্য সচিব অটল দুল্লু। নতুন নীতি অনুযায়ী একটি বাড়িতে অন্তত একটি এবং সর্বোচ্চ ছয়টি অতিথি কক্ষ রাখা যাবে। বর্তমানে এই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ২,৮০২টি হোমস্টে ইউনিটে ২০,৫১৪টি শয্যার সুবিধা রয়েছে।
নতুন এই নীতিতে দ্বিতীয় আবাসিক সম্পত্তির জন্য বেড অ্যান্ড ব্রেকফাস্ট মডেল এবং সহজ অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া জম্মু ও কাশ্মীর ব্যাংকের মাধ্যমে প্রতি রুমে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত এবং সর্বোচ্চ ৩০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাওয়ার সুযোগ থাকবে। মিশন যুব-এর অধীনে অয়োর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ‘ক্রাউন অফ ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া’ হোমস্টে প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যবিধি এবং পরিষেবার মান যাচাইয়ের পর একটি পরিদর্শক কমিটি হোমস্টেগুলোকে সিলভার বা গোল্ড ক্যাটাগরি প্রদান করবে।
হোমস্টে নীতিটি একটি ভালো উদ্যোগ হলেও বাস্তবতা হলো, বছরে ২ কোটির বেশি পর্যটক আসা এই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে মাত্র ২,৮০২টি ইউনিট যথেষ্ট নয়। কেবল হোমস্টের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতির ভোল পাল্টে যাবে বলে যে দাবি করা হচ্ছে, তা কিছুটা অতিরঞ্জিত। কারণ জমির দলিল বা জামানত ছাড়া অনেকের পক্ষেই প্রতি রুমের জন্য ৫ লক্ষ টাকার ঋণ পাওয়া কঠিন হবে। তাই অনলাইন রেজিস্ট্রেশন এবং পরিদর্শন প্রক্রিয়া আগামী ছয় মাসে কতটুকু কার্যকরী হয় এবং অয়োর এই অংশীদারিত্ব শহর ছাড়িয়ে গ্রামে পৌঁছাতে পারে কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
Source: greaterkashmir.com
এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে মূল উৎস থেকে সংকলিত হয়েছে।