
Authorities in Assam’s Jorhat district have identified 11 people from outside the state who allegedly used forged Permanent Resident Certificates or domicile documents to seek jobs linked to central forces. The Assam…
আসামের যোরহাট জেলায় রাজ্যের বাইরের ১১ জন ব্যক্তি কেন্দ্রীয় বাহিনীতে চাকরির জন্য নকল স্থায়ী বাসিন্দা সনদ বা ডোমিসাইল নথি ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আসাম ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত নিয়োগ সংক্রান্ত রেকর্ড পর্যালোচনা ও বিভিন্ন সংস্থার যাচাইকরণ প্রক্রিয়া চলাকালীন এই জালিয়াতির ঘটনা সামনে আসে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিএসএফ আইটিবিপি সিআইএসএফ এবং সিআরপিএফের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছিল। কর্মকর্তারা দেখেছেন যে কিছু সনদের নম্বরের সঙ্গে অন্য নথির অমিল রয়েছে এবং অনেক প্রার্থী ভুয়া জাতিগত সনদও ব্যবহার করেছেন।
জেলা প্রশাসন নিয়োগকারী সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট ব্যাটালিয়নের কাছে এফআইআর ও যাচাইকরণের ফলাফল পাঠিয়েছে। এর আগে জুন মাসে যোরহাটে এই ধরণের আরও ছয়টি ঘটনা ধরা পড়েছিল। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পঙ্কজ বরা সন্দেহ করছেন যে নথি তৈরি বা পরিবর্তনের জন্য সফটওয়্যার বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করা হয়েছে। তবে কোনো সরকারি কর্মকর্তার সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। যাচাইকরণ প্রক্রিয়া চলছে এবং ভবিষ্যতে আরও ঘটনা সামনে আসতে পারে।
বাইরের লোকরাই শুধুমাত্র দায়ী কিংবা প্রতিটি নিয়োগ অনিয়মই সরকারি কর্মকর্তাদের যোগসাজশের প্রমাণ এমন ধারণা পোষণ করা সহজ কিন্তু প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী এটি নিশ্চিত নয়। এই ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় ত্রুটি ধরা পড়েছে কিন্তু জাল নথির উৎস ও অনুমোদনের দায়বদ্ধতা এখনো প্রমাণের অপেক্ষায়। তদন্তকারীদের উচিত এফআইআরের সংখ্যা প্রকাশ করা। প্রাথমিক যাচাইয়ে সনদগুলো কীভাবে উত্তীর্ণ হলো তা ব্যাখ্যা করা এবং কোনো নিয়োগ বাতিল হয়েছে কি না তা স্পষ্ট করা। আসল পরীক্ষা হলো তদন্তে কেবল চাকরিপ্রার্থীরা নয় বরং যারা এই জাল নথি তৈরি করেছে তাদের শনাক্ত করা সম্ভব হয় কি না।
সূত্র: assamtribune.com
এই প্রতিবেদনটি উপরের লিঙ্কে থাকা উৎস থেকে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।