
Gross GST collections crossed ₹2.11 lakh crore in July, rising 15.4% from a year earlier and marking the second-highest monthly collection since GST began. Mint linked the increase to stronger activity, formalisation,…
জুলাই মাসে মোট জিএসটি সংগ্রহ গত বছরের তুলনায় ১৫.৪ শতাংশ বেড়ে ২.১১ লক্ষ কোটি টাকা অতিক্রম করেছে, যা জিএসটি চালুর পর থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মাসিক সংগ্রহ। মিন্ট এই বৃদ্ধির কারণ হিসেবে শক্তিশালী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, অর্থনীতির আনুষ্ঠানিক রূপায়ন, প্রযুক্তি-নির্ভর কমপ্লায়েন্স এবং উন্নত কর প্রশাসনকে চিহ্নিত করেছে। এই সময়ে রিফান্ড ১৩.১ শতাংশ বেড়ে ২৯,৯৬৮ কোটি টাকা হয়েছে এবং নিট সংগ্রহ ১৫.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
দ্য হিন্দু জানিয়েছে যে, আমদানি সংক্রান্ত জিএসটি প্রবৃদ্ধি অভ্যন্তরীণ রাজস্ব প্রবৃদ্ধির তুলনায় অনেক বেশি। এর পেছনে আমদানি মূল্য বৃদ্ধি, মুদ্রার অবমূল্যায়ন, মুদ্রাস্ফীতি এবং আমদানিকৃত উপকরণের চাহিদা দায়ী। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে যে, আমদানি আইজিএসটি (IGST) প্রবৃদ্ধি ২৬.৯ শতাংশ, যেখানে অভ্যন্তরীণ প্রবৃদ্ধি ৪.৫ শতাংশ। অন্যদিকে মিন্টের তথ্যানুযায়ী, এই হার যথাক্রমে ২৮.৮ শতাংশ এবং ১০.১ শতাংশ। দ্য হিন্দু রাজ্যগুলোর মধ্যে প্রবৃদ্ধির অসামঞ্জস্যতা এবং আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক জিএসটি অর্জনের প্রয়োজনীয়তার ওপরও আলোকপাত করেছে।
এই পরিসংখ্যান একটি শক্তিশালী কর ব্যবস্থা এবং অর্থনীতির আনুষ্ঠানিক কর্মকাণ্ড বজায় থাকার ইঙ্গিত দেয়, তবে এগুলো নিজে থেকেই সর্বস্তরের সমৃদ্ধির প্রমাণ দেয় না। দ্য হিন্দু এবং মিন্টের প্রতিবেদনে আমদানি ও অভ্যন্তরীণ প্রবৃদ্ধির হারের পার্থক্য ভিন্ন পরিমাপের পদ্ধতিকে তুলে ধরতে পারে এবং এ বিষয়ে স্পষ্টীকরণের প্রয়োজন রয়েছে। এই তথ্য কোনোভাবেই অর্থনীতির পূর্ণ স্থিতিস্থাপকতা বা অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির ব্যর্থতা চূড়ান্তভাবে প্রমাণ করে না। রাজ্যভিত্তিক বৈষম্য এবং আমদানির ওপর নির্ভরশীলতা বড় ধরনের অনিশ্চয়তা হিসেবেই রয়ে গেছে।
সূত্র (২): thehindu.com, livemint.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত দুটি সূত্র ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।
আপডেট: এই প্রতিবেদনটিতে এখন দুটি সূত্র ব্যবহার করা হয়েছে।