
The Karnataka High Court has refused to quash a criminal case against Earth Recycler Private Limited, accused of relabelling, repacking and reselling expired food products. Justice M. Nagaprasanna said the allegations require…
মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার পুনরায় লেবেল লাগিয়ে ও প্যাক করে বাজারে বিক্রির অভিযোগে আর্থ রিসাইক্লার প্রাইভেট লিমিটেডের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ফৌজদারি মামলা খারিজ করতে অস্বীকার করেছে কর্ণাটক হাইকোর্ট। বিচারপতি এম নাগাপ্রসন্না জানিয়েছেন যে এই অভিযোগগুলোর তদন্ত প্রয়োজন এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার বাজারে আসা কেবল একটি ছোটখাটো নিয়ম লঙ্ঘন নয় বরং এটি জনস্বাস্থ্যের পক্ষে বড় হুমকি।

দ্য হিন্দু জানাচ্ছে যে সাম্প্রতিক অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বাজারে ফেরানোর চাঞ্চল্যকর কৌশল ধরা পড়েছে। আদালত বলেছে যে জনরোষের পরেই শুধু পরিদর্শন হতে পারে না। আদালত নিয়মিত নজরদারি ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যের সঠিক ট্র্যাক রাখা এবং অনিরাপদ খাবার দ্রুত ধ্বংস করার পাশাপাশি কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। আদালত আরও বলেছে যে হোটেলের রান্নাঘর গ্রাহকদের চোখের আড়ালে থাকতে পারে কিন্তু তা আইনের নাগালের বাইরে নয়। কোম্পানিটি যুক্তি দিয়েছিল যে কর্তৃপক্ষ কোনো আগাম নোটিশ ছাড়াই এই ব্যবস্থা নিয়েছে।
কিছু বাজে রান্নাঘরের কারণে পুরো ব্যবস্থাকে দায়ী করা যেমন অলস যুক্তি তেমনি সব খাদ্য ব্যবসাকেই সন্দেহের তালিকায় রাখাটাও বাড়াবাড়ি। এই মামলার সত্যতা এখনো তদন্তাধীন তবে এটি বৃহত্তর আইনি প্রয়োগের ক্ষেত্রে এক জরুরি বার্তা। আদালতের পরামর্শ বাস্তবসম্মত অর্থাৎ মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যের ওপর নজরদারি ও তা ধ্বংস করা এবং নিয়মিত পরিদর্শন চালানো। প্রকৃত পরীক্ষাটি হবে এখানেই যে কর্ণাটকের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো শুধু গণরোষের অপেক্ষায় না থেকে নিয়মিত পরিদর্শন ও আইনি পদক্ষেপের তথ্য প্রকাশ করে কি না।
সূত্র (২): thehindu.com, timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত দুটি সূত্র থেকে এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।