
In August 2025, police seized 150 kg of saffron corms near Awantipora and arrested four people. The corms are being smuggled out of Kashmir to states such as Haryana and Himachal Pradesh,…
২০২৫ সালের আগস্ট মাসে পুলিশ অবন্তিপোরার কাছে ১৫০ কেজি জাফরানের কন্দ উদ্ধার করে এবং চারজনকে গ্রেপ্তার করে। প্রতি ১০০ কেজির দাম ১.৫ থেকে ১.৭ লক্ষ টাকা হওয়ায় প্রলোভনে পড়ে এই কন্দগুলো কাশ্মীর থেকে হরিয়ানা ও হিমাচল প্রদেশের মতো রাজ্যগুলোতে পাচার করা হচ্ছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী গত বছর ফলন স্বাভাবিকের তুলনায় ১০ শতাংশে নেমে এসেছে এবং ১৯৯৬-৯৭ সাল থেকে জাফরান চাষের জমি ৩৫ শতাংশ কমে ৩,৭১৫ হেক্টর হয়েছে। অনেক কৃষক আপেল চাষের দিকে ঝুঁকছেন। জাফরান আইন ২০০৭ এর অধীনে সরকার এই ধরনের কন্দ চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে এবং চারা সংরক্ষণের জন্য বীজ উৎপাদন নার্সারি স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছে।
জাফরানের কন্দ পাচারকে কেবল অবৈধ বাণিজ্যের সংকট হিসেবে দেখা হচ্ছে কিন্তু এর আসল কারণ হলো কৃষকদের সামনে বেঁচে থাকার অন্য কোনো উপায় না থাকা। ফলন স্বাভাবিকের ১০ শতাংশে নেমে এসেছে এবং চাষের এলাকা এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি কমে গেছে। কৃষকরা চারা বিক্রি করছেন বলে তাদের দোষারোপ করা ভুল। প্রথাগত চাষাবাদ যদি লাভজনক না হয় তবে বীজ নার্সারির মতো সংরক্ষণ প্রকল্পগুলোকে তাদের জীবিকা ও সরবরাহ ফেরানোর প্রমাণ দিতে হবে। জাফরান ক্ষেত নিশ্চিহ্ন হওয়ার আগেই কি এই উদ্যোগগুলো সফল হবে? এটাই এখন আসল পরীক্ষা।
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত উৎসের সহায়তায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা তৈরি।