
AAP national convenor Arvind Kejriwal claimed on Thursday that Meta had restricted his account in India without giving a reason. Sources differ on the platform: India Today and Times of India reported…
আম আদমি পার্টির জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল বৃহস্পতিবার অভিযোগ করেছেন যে মেটা কোনো কারণ না দেখিয়েই ভারতে তার অ্যাকাউন্ট সীমিত করে দিয়েছিল। তবে কোন প্ল্যাটফর্মে এই সমস্যা হয়েছে তা নিয়ে মতভেদ রয়েছে। ইন্ডিয়া টুডে ও টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে ইনস্টাগ্রামের কথা বলা হয়েছে এবং লাইভমিন্টের প্রতিবেদনে ফেসবুকের কথা উল্লেখ রয়েছে। কেজরিওয়াল একটি স্ট্যাটাসের স্ক্রিনশট শেয়ার করে জানান যে তার অ্যাকাউন্ট কিছু এলাকায় পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে মেটার সমালোচনা করে রাজনৈতিক চাপের অভিযোগ তোলেন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে মাথা নত না করার আর্জি জানান।
মেটা এই অভিযোগের বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি। ইন্ডিয়া টুডে তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে যে প্রতিবেদন প্রকাশের সময় কেজরিওয়ালের ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ভারতেই সক্রিয় ছিল। লাইভমিন্ট পরবর্তীতে নিশ্চিত করেছে যে উভয় অ্যাকাউন্টই সচল রয়েছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী মোদীর একটি ভিডিও সাময়িকভাবে সীমিত করার জন্য মেটা ক্ষমা চেয়েছিল এবং সেটিকে প্রযুক্তিগত ত্রুটি বলে বর্ণনা করেছিল।
উপলব্ধ তথ্য থেকে কেজরিওয়ালের দাবি ও স্ক্রিনশটের সত্যতা মিললেও অ্যাকাউন্ট সীমিত হওয়ার কোনো স্পষ্ট কারণ জানা যায়নি। ইনস্টাগ্রাম নাকি ফেসবুক সীমিত হয়েছে তা নিয়েও সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যে ভিন্নতা রয়েছে এবং বর্তমানে পরিষেবা স্বাভাবিক দেখা যাচ্ছে। রাজনৈতিক চাপের অভিযোগটি এখনও একটি দাবি মাত্র এবং এর কোনো প্রতিষ্ঠিত প্রমাণ নেই। মেটার পক্ষ থেকে কোনো ব্যাখ্যা না আসায় ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। সংস্থাটির কাছ থেকে স্বচ্ছ কোনো বক্তব্য পাওয়া গেলে সাধারণ ব্যবহারকারীরা বিষয়টি নিয়ে কোনো প্রকার রাজনৈতিক জল্পনা ছাড়াই পরিস্থিতি বুঝতে পারতেন।
সূত্র (৩): indiatoday.in, livemint.com, timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত ৩টি সূত্রের ভিত্তিতে এআই দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।
আপডেট: এই প্রতিবেদনটি এখন ৩টি সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি।