
The Kerala High Court has ruled that contributions to a child’s PPF account after they turn 18 count towards the parent’s Rs 1.5 lakh annual limit. In a case where a mother…
কেরল হাইকোর্ট রায় দিয়েছে যে সন্তানের বয়স ১৮ বছর পার হওয়ার পর তাদের পিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমার টাকা অভিভাবকের বার্ষিক ১.৫ লক্ষ টাকার সীমার অন্তর্ভুক্ত হবে। সন্তানের সাবালক হওয়ার পরও তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দেওয়া এক মায়ের ক্ষেত্রে আদালত ৬.৮৭ লক্ষ টাকার সুদ বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছে। পিপিএফ নিয়ম অনুযায়ী একজন ব্যক্তির বার্ষিক মোট বিনিয়োগের সর্বোচ্চ সীমা ১.৫ লক্ষ টাকা, যার মধ্যে সন্তানের অ্যাকাউন্টের বিনিয়োগও গণ্য হয়। অভিভাবকরা প্রায়ই ভুল করে মনে করেন যে তারা প্রত্যেকে সন্তানের অ্যাকাউন্টে ১.৫ লক্ষ টাকা করে বিনিয়োগ করতে পারবেন, কিন্তু আসলে মোট বিনিয়োগের ওপরই এই সীমা কার্যকর হয়।
অনেক অভিভাবকই ধরে নেন যে তারা প্রত্যেকে সন্তানের পিপিএফ অ্যাকাউন্টে ১.৫ লক্ষ টাকা করে জমা করতে পারবেন এবং তাতে দ্বিগুণ কর সুবিধা পাওয়া যাবে। কেরল হাইকোর্টের এই রায় প্রমাণ করে যে এটি একটি ব্যয়বহুল ভুল। এখন আসল প্রশ্ন হলো অর্থ মন্ত্রক নাবালকদের অ্যাকাউন্ট রূপান্তরের নিয়মাবলিকে মানসম্মত করবে কি না, যাতে অন্যদের একই ধরনের আর্থিক ক্ষতি থেকে রক্ষা করা যায়।
সূত্র: livemint.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লিখিত সূত্র থেকে এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।