
The Maharashtra government has decided that bureaucrats who do not vacate government quarters in Mumbai after being transferred will lose house rent allowance (HRA) and travel allowance unless they produce a certificate…
বদলির পরেও মুম্বাইয়ে সরকারি আবাসন খালি না করলে সেই আমলাদের হাউস রেন্ট অ্যালাউন্স (এইচআরএ) ও ট্রাভেল অ্যালাউন্স (টিএ) বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকার। জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্ট (জিএডি) থেকে আবাসন খালি করার শংসাপত্র জমা না দেওয়া পর্যন্ত এই সুবিধা মিলবে না। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, যদি কেউ আবাসনে থেকেও এইচআরএ ও টিএ নিয়ে থাকেন তবে সেই অর্থ পুনরুদ্ধার করা হবে।
মুম্বাইয়ে বদলি হওয়ার পরেও যারা সরকারি বাসভবন গ্রহণ করবেন না, তাদের ড্রয়িং অ্যান্ড ডিসবার্সিং অফিসারের কাছ থেকে শংসাপত্র নিতে হবে। লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের চেয়ারপার্সন শচীন আহিরের বাংলো বরাদ্দ নিয়ে বিতর্কের পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই বিতর্কে দেখা গিয়েছিল প্রাক্তন মন্ত্রী রবীন্দ্র চহ্বাণ মন্ত্রী না থাকার পরেও সরকারি বাংলো ব্যবহার করছিলেন।
সরকারি আবাসন খালি করার জন্য রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ প্রশংসনীয় হলেও এর প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। শচীন আহির ও রবীন্দ্র চহ্বাণের বাংলো সংক্রান্ত ঘটনা থেকেই স্পষ্ট যে রাজনৈতিক যোগসাজশের কারণে প্রায়ই নিয়ম কার্যকর করতে দেরি হয়। সাধারণ আমলারা এখন থেকে কঠোর নিয়ম ও অর্থ পুনরুদ্ধারের মুখে পড়বেন। কিন্তু প্রাক্তন মন্ত্রীরাও কি একই নিয়মের আওতায় পড়বেন যারা সরকারি বাসভবন আঁকড়ে থাকেন? জিএডি পদমর্যাদা নির্বিশেষে সবার কাছ থেকে সমানভাবে বকেয়া আদায় করতে পারে কি না সেটাই আসল পরীক্ষা।
সূত্র: timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লিখিত সূত্র থেকে এআই ব্যবহার করে সংকলিত হয়েছে।