
Netflix series Operation Safed Sagar, which dramatises the Indian Air Force's role in the 1999 Kargil War, has entered the platform's Global Top 10 after its August 7 premiere. The show, centred…
সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া নেটফ্লিক্স সিরিজ ‘অপারেশন সাদা সাগর’ ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধে ভারতীয় বায়ুসেনার সাহসী কর্মকাণ্ডকে গোল্ডেন অ্যারোস স্কোয়াড্রনের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে তুলে ধরেছে। বিংড-এর রিভিউ অনুযায়ী, সিরিজটিতে যুদ্ধের পরিকল্পনা ও শৃঙ্খলার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এতে স্কোয়াড্রন লিডার অজয় আহুজার চরিত্রে অভিনয় করেছেন সিদ্ধার্থ এবং উইং কমান্ডার বি এস ধানোয়ার চরিত্রে অভিনয় করেছেন জিমি শেরগিল। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে কার্গিল অভিযানের সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জের সঙ্গে ২০২৫ সালের ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর তুলনা টানা হয়েছে। যেখানে ভারত রাফায়েল ও ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ৯০ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করেছিল।
সিরিজটিতে দেখানো হয়েছে যে, সেই সময় ভারতীয় বায়ুসেনা চরম প্রতিকূলতার মধ্যে কাজ করত। এর মধ্যে ছিল উচ্চতায় বিমান চালনার সীমাবদ্ধতা, ব্যালিস্টিক টেবিলের অভাব, লেজার গাইডেড বোমের স্বল্পতা এবং গোয়েন্দা তথ্যের অস্পষ্টতা। বিপরীতে, ২০২৫ সালের মে মাসে অপারেশন সিন্দুর পরিচালনায় পর্যাপ্ত আধুনিক অস্ত্র, সমন্বিত পরিকল্পনা এবং রাজনৈতিক বাধা ছিল না বললেই চলে, যার ফলে জঙ্গি পরিকাঠামোয় সফল আঘাত হানা সম্ভব হয়েছিল।
কার্গিল যুদ্ধে ভারতীয় বায়ুসেনার সাহসিকতাকে সিরিজটি যথাযথ সম্মান জানালেও, ১৯৯৯ সালের প্রস্তুতির অভাবকে এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা একধরনের কৃত্রিম যুদ্ধের মিথ তৈরি করতে পারে। অপারেশন সিন্দুর নিয়ে দেশপ্রেমের যে উন্মাদনা দেখা যাচ্ছে, তার আড়ালে কঠিন প্রশ্নগুলো ঢাকা পড়ে যাওয়া উচিত নয়। যেমন, ২০২৫ সালের অভিযানের ব্যয় ও কূটনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ কতটুকু এবং এর পরিকল্পনাকারীরা কি কোনো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির কথা স্বীকার করবেন? ২৬/১১-এর মতো কোনো হামলার ঘটনা ঘটলে ভারত কতটা সুপরিকল্পিতভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে, সেটিই এখন আসল পরীক্ষার বিষয়।
সূত্র (২): timesofindia.indiatimes.com, binged.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লিখিত দুটি সূত্র ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে তৈরি করা হয়েছে।