
Bengaluru police have registered a case against Harish Gowda, 33, operator of Harish Trading Academy in Nagarabhavi, after a video on the academy's Instagram page showed him pulling out a pistol during…
বেঙ্গালুরুর নাগরাভাবীর হারিষ ট্রেডিং অ্যাকাডেমির কর্ণধার ৩৩ বছর বয়সী হারিষ গৌড়ার বিরুদ্ধে পুলিশ মামলা দায়ের করেছে। অ্যাকাডেমির ইনস্টাগ্রাম পেজে একটি ভিডিও ভাইরাল হয় যেখানে তাকে কথোপকথনের সময় পিস্তল বের করতে দেখা যায়। সোশ্যাল মিডিয়া পর্যবেক্ষণের সময় অন্নপূর্ণেশ্বরীনগর থানার পুলিশ কনস্টেবল চন্দ্রকান্ত ভিডিওটি দেখতে পান।
ভিডিওটিতে এক ব্যক্তিকে প্রশ্ন করতে দেখা যায় যে ডিমেট অ্যাকাউন্টের ১০০০ টাকাকে কি রাতারাতি ১ লক্ষ টাকায় রূপান্তর করা সম্ভব। গৌড়া সেই অনুরোধ নিয়ে প্রশ্ন তুললে ব্যক্তিটি জোরাজুরি শুরু করেন এবং তখন গৌড়া টেবিলের ওপর একটি পিস্তল রেখে তাকে হুমকি দিয়ে বেরিয়ে যেতে বলেন বলে অভিযোগ। অস্ত্র আইন এবং বিএসএন-এর ৩৫১ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।
ভিডিওটি নজরে আনার জন্য পুলিশ কৃতিত্বের দাবিদার। তবে আসল সমস্যা হলো যেভাবে ট্রেডিং অ্যাকাডেমিগুলো রাতারাতি বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে তরুণ বিনিয়োগকারীদের অবাস্তব প্রত্যাশার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ক্লিপের হুমকিটি সাজানো হতে পারে, তবুও এটি এমন এক সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ যেখানে ঝুঁকির বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়। পিস্তলটি বৈধ কি না এবং অ্যাকাডেমির বিনিয়োগ সংক্রান্ত দাবির বিষয়ে কোনো তদন্ত হয় কি না, তা দেখার বিষয়। পর্দার এই নাটক থেকে প্রাপ্ত তথ্যের চেয়ে তার পরিচয়পত্রের যাচাই অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
উৎস: timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত উৎস থেকে এআই প্রযুক্তির সহায়তায় তৈরি করা হয়েছে।