
India imported around 15.6 million tonnes of edible oil in 2023-24, with nearly half of domestic consumption met through imports, The Hindu Businessline reports. The government’s National Mission on Edible Oils-Oilseeds, launched…
২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ভারত প্রায় ১৫.৬ মিলিয়ন টন ভোজ্য তেল আমদানি করেছে, যেখানে দেশের মোট চাহিদার প্রায় অর্ধেক আমদানি দিয়ে পূরণ করা হয়, দ্য হিন্দু বিজনেসলাইন রিপোর্ট করেছে। ২০২৪ সালে ১০,১০৩ কোটি টাকা বরাদ্দে শুরু হওয়া সরকারের জাতীয় ভোজ্য তেল-তেলবীজ মিশনের লক্ষ্য ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে তেলবীজ উৎপাদন বাড়ানো।
কিন্তু আমদানি নীতি, শুল্ক ও মূল্যে হস্তক্ষেপে পরিবর্তন সয়াবিন, সরিষা ও চিনাবাদামের মতো ফসল থেকে কৃষকদের প্রত্যাশিত মুনাফা কমিয়ে দিতে পারে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, কৃষকরা আয়, ঝুঁকি ও বাজারের নিশ্চয়তা বিচার করে, অন্যদিকে প্রসেসর ও ব্যবসায়ীদেরও পূর্বাভাসযোগ্য অবস্থার প্রয়োজন। এতে যুক্তি দেওয়া হয়েছে, আমদানি নির্ভরতা কমাতে শুধু উৎপাদন লক্ষ্য নয়, বরং উন্নত বীজ, সম্প্রসারণ পরিষেবা, স্থানীয় প্রক্রিয়াকরণ ও আরও স্থিতিশীল নীতির প্রয়োজন।
এই গল্পের একটি সহজ সংস্করণ হল আমদানিই শত্রু, অথবা উচ্চ শুল্কই ভারতকে আত্মনির্ভরশীল করতে পারে। দুটোই ভুল। আমদানি বাড়তি চাহিদা মেটাতে সাহায্য করে, অন্যদিকে হঠাৎ নীতি পরিবর্তন কৃষক ও প্রসেসরদের ক্ষতি করতে পারে। প্রকৃত পরীক্ষা হল, রান্নার তেল অসম্ভব দাম না করে তেলবীজ চাষ আরও প্রতিযোগিতামূলক হয় কি না। মিশনের ফলাফল বিচার করা উচিত কৃষকের আয়, দেশীয় উৎপাদন ও ভোক্তার দাম—একসঙ্গে।
সূত্র: thehindubusinessline.com
এই গল্পটি উপরোক্ত সূত্র থেকে এআই-এর সাহায্যে সংশ্লেষিত।