
A petitioner has alleged Bluetooth-assisted cheating in Punjab's pharmacy officer recruitment exam, claiming candidates used Bluetooth devices and a pen camera to photograph and transmit the question paper. India Today reports that…
পাঞ্জাবের ফার্মাসি অফিসার নিয়োগ পরীক্ষায় ব্লুটুথ ব্যবহার করে জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছেন এক আবেদনকারী। তার দাবি, পরীক্ষার্থীরা ব্লুটুথ ডিভাইস ও কলম ক্যামেরা ব্যবহার করে প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে বাইরে পাঠিয়েছে। ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অভিযোগের জেরে ৪৫৪টি পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই আদালতের নির্দেশে থমকে গেছে। আবেদনকারী কেশব জানিয়েছেন, কর্তৃপক্ষ জ্যামার বসাতে ব্যর্থ হয়েছে এবং পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরই পুলিশ সেখানে পৌঁছায়। একে তিনি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক ব্যর্থতা বলে দাবি করে মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানকে নিরপেক্ষ তদন্তের আবেদন জানিয়েছেন। পাঞ্জাব সরকার এ বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। বিষয়টি বর্তমানে পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও সরকারের বিরুদ্ধে ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ তোলা সহজ হলেও, এখন পর্যন্ত একমাত্র প্রতিষ্ঠিত সত্য হলো আদালতের নির্দেশে ৪৫৪টি পদের নিয়োগ আটকে থাকা। পাঞ্জাব সরকার এখনও কোনো উত্তর দেয়নি এবং আবেদনকারীর ভাষ্যমতে পুলিশ মাত্র দুই থেকে তিনজনকে ধরতে পেরেছে, যা থেকে ইঙ্গিত মেলে যে জালিয়াতির ব্যাপ্তি দাবির চেয়ে কম হতে পারে। আদালতের তদন্ত শেষ হওয়ার পর দেখা যাবে শেষ পর্যন্ত কতগুলো পদে নিয়োগ সম্পন্ন হয়।
সূত্র: indiatoday.in
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।