
Raichur City Corporation (RCC) is struggling to provide adequate water to its 3.5 lakh residents, despite rising water levels in the Krishna and Tungabhadra rivers. The basic supply network is poor, and…
কৃষ্ণা ও তুঙ্গভদ্রা নদীতে জলের স্তর বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও রায়চুর সিটি কর্পোরেশন সাড়ে তিন লক্ষ বাসিন্দার জন্য পর্যাপ্ত জল সরবরাহে হিমশিম খাচ্ছে। শহরের পরিকাঠামো উন্নয়নের সাথে সামঞ্জস্য রেখে মৌলিক সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। বর্তমানে শহরটিতে কেন্দ্রীয় সরকারের নির্ধারিত ন্যূনতম পরিমাণের চেয়েও কম জল পাওয়া যাচ্ছে। অনেক ওয়ার্ডে প্রতিদিন জল পৌঁছায় না এবং গ্রীষ্মকালে সরবরাহের বিরতি চার দিন বা এক সপ্তাহ পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হয়।
রায়চুর সিটি কর্পোরেশনের সরকারি নথির বাইরে ২৩,৬০০টি অবৈধ জল সংযোগ রয়েছে। রামপুরা হ্রদের জল নিম্নমানের রক্ষণাবেক্ষণের কারণে ঠিকমতো পরিশোধিত হয় না। ৪৮টি ওভারহেড ট্যাঙ্কের মধ্যে ১২টি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে অকেজো হয়ে পড়ে আছে। কমিশনার জুবিন মহাপাত্র জানিয়েছেন যে কৃষ্ণা নদী ও চিক্কাসাগুর জলাধার থেকে জল সরবরাহ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা তৈরি রয়েছে এবং অতিরিক্ত ২০ এমএলডি জল সরবরাহের কাজ চলছে।
সাধারণত খরা বা নদীর অভাবকে এর জন্য দায়ী করা হলেও রায়চুর দুটি বড় নদীর মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। অর্থাৎ সমস্যাটি প্রকৃতির নয় বরং পুরোপুরি প্রশাসনিক। আইনি সংযোগের চেয়ে অবৈধ সংযোগের সংখ্যা বেশি, ওভারহেড ট্যাঙ্কগুলো পড়ে আছে এবং পরিশোধন ইউনিটগুলো অবহেলার শিকার। এখন আসল পরীক্ষা হলো আগামী ছয় মাসের মধ্যে কৃষ্ণা নদী থেকে প্রতিশ্রুত ২০ এমএলডি জল শহরে পৌঁছায় কি না নাকি এই কর্মপরিকল্পনা কেবল কাগজের পাতাতেই সীমাবদ্ধ থাকে।
সূত্র: deccanherald.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লিখিত সূত্র থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে তৈরি করা হয়েছে।