
Polish officials and researchers say Moscow has sharply increased online messaging around the Volhynia massacres to deepen tensions between Poland and Ukraine. The campaign, largely on social media, amplifies real historical disputes…
পোলিশ কর্মকর্তারা এবং গবেষকদের মতে মস্কো ইউক্রেন ও পোল্যান্ডের মধ্যে উত্তেজনা বাড়াতে ভোলিনিয়া গণহত্যাকে কেন্দ্র করে অনলাইনে ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছে। পোলিশ ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স জানিয়েছে যে সোশ্যাল মিডিয়ায় মূলত বট ব্যবহার করে এই প্রচার চালানো হচ্ছে যাতে কৃত্রিমভাবে ইউক্রেন বিরোধী মনোভাব তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।
এই বিবাদের মূল কারণ ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৫ সালের গণহত্যা। পোল্যান্ডের দাবি অনুযায়ী ইউক্রেনীয় জাতীয়তাবাদীরা প্রায় ১ লক্ষ পোলিশকে হত্যা করেছিল। ইউক্রেন গণহত্যার সঙ্গে জড়িত একটি সেনা ইউনিটের নাম দেওয়ার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে এবং পোল্যান্ড প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সম্মাননা প্রত্যাহার করে নেয়। রাশিয়া এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সাম্প্রতিক এক জনমত জরিপ অনুযায়ী পোল্যান্ডে ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার পক্ষে সমর্থন ২০২২ সালের ৭৮ শতাংশ থেকে কমে এখন ৫২ শতাংশে নেমে এসেছে।
ইউক্রেনের সবচেয়ে শক্তিশালী মিত্রকে দুর্বল করতে রাশিয়া যন্ত্রণাদায়ক ইতিহাসকে অত্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে ব্যবহার করছে। তবে এটিই গল্পের শেষ নয়। পোল্যান্ডের যুদ্ধজনিত ক্লান্তি শস্য সংক্রান্ত বিরোধ এবং উগ্র ডানপন্থী রাজনীতির কারণেও মানুষের মানসিকতায় পরিবর্তন এসেছে। ২০২৭ সালের পোল্যান্ডের নির্বাচনই হবে আসল পরীক্ষার সময়। যদি ইউক্রেন বিরোধী বক্তব্য সেখানে ভোট পাওয়ার হাতিয়ার হয়ে ওঠে তবে এর দায় কেবল মস্কোর ওপর নয় বরং ওয়ারশয়ের ওপরও সমানভাবে বর্তায়।
সূত্র: timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লিখিত উৎসের তথ্যের ভিত্তিতে এআই দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।