
India is among over 40 countries accused by Washington of helping China circumvent US tariffs by allowing Chinese goods to be illegally rerouted through its territory, a White House report titled 'The…
হোয়াইট হাউসের ‘দ্য গ্রেট ট্রান্সশিপমেন্ট স্ক্যাম’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে যে ভারতসহ ৪০টিরও বেশি দেশ চীন থেকে আসা পণ্য অবৈধ পথে রুট করার সুযোগ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ফাঁকি দিতে সাহায্য করছে। পিটার নাভারোর তত্ত্বাবধানে তৈরি ওই প্রতিবেদনে অনুমান করা হয়েছে যে ২০২৫ সালে চীন থেকে ভারত, মেক্সিকো ও ভিয়েতনামের মাধ্যমে প্রায় ৬৭ বিলিয়ন ডলারের পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে, যার ফলে ২৮ বিলিয়ন ডলারের শুল্ক রাজস্ব হারিয়েছে ওয়াশিংটন।
এই অভিযোগের জবাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে ভারতের শক্তিশালী আইন ও কাস্টমস প্রক্রিয়া রয়েছে এবং যেকোনো অনিয়ম আইন অনুযায়ী মোকাবিলা করা হয়। প্রতিবেদনে ভারতের পুনে-গুজরাট-চেন্নাই উৎপাদন বলয়ের কথা উল্লেখ করে পাম্প এবং কম্প্রেসারকে ঝুঁকিপূর্ণ পণ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ভারতের বাণিজ্য গবেষণা সংস্থা জিটিআরআই উল্লেখ করেছে যে এই পণ্যগুলো তৈরির ক্ষেত্রে ভারতের নিজস্ব সক্ষমতা যথেষ্ট বেশি, যা থেকে সহজেই বোঝা যায় যে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা পণ্যগুলো কেবল চীনের রুট করা পণ্য নয়।
হোয়াইট হাউসের এই প্রতিবেদন এমন এক ধারণা তৈরি করছে যেন ভারত চীনা পণ্যের জন্য একটি ব্যাকডোর বা চোরাগোপ্তা পথ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে পরিসংখ্যান ভিন্ন কথা বলছে। ভারত বিশ্বজুড়ে ১.৬১ বিলিয়ন ডলারের লিকুইড পাম্প রপ্তানি করেছে, যেখানে চীন থেকে আমদানি করেছে মাত্র ৩২৬ মিলিয়ন ডলারের পণ্য। এটি কোনোভাবেই রুট করার কেন্দ্র হতে পারে না। আসল পরীক্ষা হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে মার্কিন কাস্টমস কোনো বাস্তব লঙ্ঘন খুঁজে পায় নাকি শুধু ভারতের নিজস্ব উৎপাদন সক্ষমতাকে ভুল ব্যাখ্যা করে। ভারতের বিরুদ্ধে ট্রান্সশিপমেন্টের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ওয়াশিংটন কী পেশ করবে তা দেখার বিষয়।
সূত্র: thehindubusinessline.com
এই প্রতিবেদনটি এআই-এর সহায়তায় উৎস থেকে সংকলন করা হয়েছে।