ওয়াশিংটনে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙচুরের দায়ে অভিযুক্ত এক নারী

Who is Melissa L. Farris? 5 things to know as woman charged over World War II Memo vandalism, ‘Clean hands Dirty $’

Melissa L. Farris, 41, of Elizabethtown, Kentucky, has been charged with two felony counts for vandalising the World War II Memorial on the National Mall in Washington DC. US Attorney Jeanine Pirro…

সংক্ষেপে ঘটনা

কলম্বিয়া ডিস্ট্রিক্টের মার্কিন অ্যাটর্নি জেনিন পিরো শুক্রবার ঘোষণা করেছেন যে ন্যাশনাল মলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙচুরের দায়ে মেলিসা এল. ফারিসকে গ্রেপ্তার ও দুটি গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত করা হয়েছে। মার্কিন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন এবং প্রবীণ যোদ্ধাদের স্মৃতিস্তম্ভ ধ্বংসের মতো এই অপরাধে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। ভাঙচুরের মধ্যে ছিল স্মৃতিস্তম্ভের ফোয়ারায় সাবান জল ঢেলে দেওয়া এবং সেখানে লাল রঙে ক্লিন হ্যান্ডস ডার্টি ডলার লিখে দেওয়া।

এই ঘটনার কয়েক সপ্তাহ আগেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কোনো প্রমাণ ছাড়াই অভিযোগ করেছিলেন যে কাছাকাছি থাকা লিঙ্কন মেমোরিয়াল রিফ্লেক্টিং পুল ইচ্ছাকৃতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে। পিরো এর আগে রিফ্লেক্টিং পুলের ক্ষয়ক্ষতি মেরামতের ত্রুটির কারণে হয়েছে বলে মনে করে একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ওঠা ভাঙচুরের অভিযোগ তুলে নিয়েছিলেন। ট্রাম্প পিরোর এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, প্রথমে রিফ্লেক্টিং পুল আর এখন এটি। এই পশুতুল্য মানুষগুলো কোথা থেকে আসে?

দ্য ইন্ডিয়ান ওপিনিয়ন

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভে ভাঙচুরের ঘটনাটি অবশ্যই নিন্দনীয় তবে ঘটনাটিকে ঘিরে তৈরি হওয়া হইচই মূল সত্য থেকে নজর সরিয়ে দিচ্ছে। ট্রাম্প এবং তাঁর সহযোগীরা প্রচার করছেন যে এটি জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভের ওপর পরিকল্পিত হামলার অংশ কিন্তু এখন পর্যন্ত পাওয়া একমাত্র প্রমাণ একজন নারীর সাবান ও স্প্রে পেইন্ট ব্যবহারের দিকেই নির্দেশ করে। এদিকে রিফ্লেক্টিং পুলের ঘটনায় তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই বিপুল প্রমাণের দাবি করে পরে অভিযোগ তুলে নেওয়ার বিষয়টি পিরোর অবস্থানের অসংলগ্নতাকে তুলে ধরে। ফারিসের বিচার প্রক্রিয়ায় শেষ পর্যন্ত প্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে নাকি রাজনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার করা হবে সেটাই দেখার বিষয়। তাকে কোনো বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত করার মতো কোনো প্রকৃত প্রমাণ আছে নাকি এটিও তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নেওয়ার আরেকটি ঘটনা?


সূত্র (২): hindustantimes.com, economictimes.indiatimes.com

এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত দুটি সূত্র থেকে এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।

Ask their opinion on this story
They have read this article, our coverage, and the web.
AI simulations of historical figures. Responses are generated from the historical record, not authentic statements.

0 Votes: 0 Upvotes, 0 Downvotes (0 Points)

Share your opinion

Loading Next Post...
Search Trending
Ask their opinion
Loading

Signing-in 3 seconds...

Signing-up 3 seconds...

All fields are required.