
A 5,000-year-old marble statuette known as 'The Stargazer' has been described by the Cleveland Museum of Art as a rare survivor from the Early Bronze Age in Western Anatolia. The figure, measuring…
ক্লিভল্যান্ড মিউজিয়াম অফ আর্ট ৫ হাজার বছরের পুরোনো মার্বেলের ‘স্টারগেজার’ মূর্তিকে পশ্চিম আনাতোলিয়ার ব্রোঞ্জ যুগের এক বিরল নিদর্শন বলে বর্ণনা করেছে। ১৭.২ সেন্টিমিটার উচ্চতার এই মূর্তিটির মাথা অস্বাভাবিক বড় এবং পিছনের দিকে হেলানো। এতে পাখির মতো গলা এবং ছোট গোলাকার চোখ থাকলেও কোনো মুখ নেই। পিউবিক ট্রায়াঙ্গেলের খোদাই দেখে এটিকে নারী মূর্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ধরনের মাত্র ৩০টি মূর্তির কথা জানা যায় এবং ক্লিভল্যান্ডের এই নিদর্শনটি অক্ষত থাকা হাতেগোনা কয়েকটি মূর্তির মধ্যে একটি। এর মূল উদ্দেশ্য এখনো অজানা হলেও জাদুঘর কর্তৃপক্ষ একে উর্বরতা ও প্রাচুর্যের সাথে সম্পর্কিত বলে মনে করছে। মূর্তিটি মাটিতে পোতা অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল এবং এ ধরনের অনেক মূর্তির গলা ভাঙা থাকে যা কোনো আচারগত গুরুত্বের ইঙ্গিত দেয়।
স্টারগেজার মূর্তিটি বিস্ময় জাগালেও ইন্টারনেটে অনেকে এটিকে ভিনগ্রহের প্রাণী বা প্রাচীন কোনো প্রযুক্তির সাথে মিলিয়ে ফেলছেন। এই ধারণাগুলো ভুলে যায় যে প্রাক ব্রোঞ্জ যুগের মানুষ উন্নত বিমূর্ত শিল্পকলায় পারদর্শী ছিল। মূর্তিটির আধুনিক রূপ কোনো বাইরের হস্তক্ষেপ নয় বরং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত শৈলী। আসল বিষয়টি হলো সেই সময়ের কোনো লিখিত নথিপত্র না থাকায় আমরা কেবল অনুমানই করতে পারি। ভবিষ্যতে খননকার্যের ফলে আরও অক্ষত মূর্তি পাওয়া গেলে এর প্রকৃত তাৎপর্য স্পষ্ট হতে পারে। ততদিন পর্যন্ত মনগড়া ব্যাখ্যার চেয়ে নীরবতা থাকাই শ্রেয়।
সূত্র: timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এআই দ্বারা সংকলিত হয়েছে।