
Bangladesh’s government said it was “outraged” after former Prime Minister Sheikh Hasina addressed a virtual press conference from India on August 5, the second anniversary of the uprising that removed her from…
ক্ষমতা থেকে অপসারণের দ্বিতীয় বার্ষিকী ৫ আগস্ট ভারত থেকে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলন নিয়ে বাংলাদেশ সরকার ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল নিউ দিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অফ সাউথ এশিয়া। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের অপমান এবং আন্দোলনে নিহতদের প্রতি অবমাননা বলে অভিহিত করেছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে ২০২৪ সালের প্রতিবাদ দমনের ঘটনায় হাসিনা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন এবং তার অনুপস্থিতিতে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তারা অভিযোগ করেছে যে ভারত ২০১৩ সালের বাংলাদেশ-ভারত চুক্তি অনুযায়ী বারবার extradition বা প্রত্যর্পণের অনুরোধ উপেক্ষা করছে। ভারতের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ওই ভার্চুয়াল সম্মেলনে অংশ নেওয়া প্রাক্তন অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের বাড়িতে অনুষ্ঠানের কয়েক ঘণ্টা পরেই হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে জোরালো আখ্যানগুলো হয়তো ভারতকে শেখ হাসিনার সমর্থক অথবা ঢাকাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় লিপ্ত হিসেবে তুলে ধরবে। তবে বর্তমান তথ্যপ্রমাণ এমন কোনো চূড়ান্ত দাবির পক্ষে যায় না। বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ তুলেছে কিন্তু ভারতের অবস্থান এবং হাসিনার বক্তব্যের বিষয়বস্তু অস্পষ্ট রয়ে গেছে। সাকিব আল হাসানের বাড়িতে আক্রমণ থেকে বোঝা যায় কীভাবে রাজনৈতিক ক্ষোভ ব্যক্তিগত পরিসরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এখন নিউ দিল্লি প্রত্যর্পণের অভিযোগের জবাব দেয় কিনা এবং ঢাকা কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেয় কিনা সেটাই দেখার বিষয়।
সূত্র (৪): ndtv.com, deccanherald.com, thehindu.com, thehindu.com (২)
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত ৪টি সূত্র থেকে এআই ব্যবহার করে সংকলিত হয়েছে।
আপডেট: এই প্রতিবেদনটিতে এখন ৪টি সূত্র ব্যবহার করা হয়েছে।