
Deccan Herald tells the story of a group of children in Sukkur, Sindh, during the winter of 1943 who formed a secret club called 'Baal Sena'. Led by 12-year-old Nandu, along with…
১৯৪৩ সালের শীতকালে সিন্ধুর সুক্কুরে ‘বাল সেনা’ নামে এক গোপন সংগঠন গড়ে তুলেছিল একদল শিশু। ১২ বছর বয়সী নন্দুর নেতৃত্বে মায়া, রাম, সেলিম ও লতা রাতের অন্ধকারে মানুষের দরজার নিচ দিয়ে লিফলেট পৌঁছে দিত। ব্রিটিশ পুলিশের গতিবিধির ওপর নজর রাখা এবং ড্রাম বাজিয়ে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করার মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজও তারা করেছে।
ব্রিটিশ সৈন্যবাহী ট্রেন আটকাতে রেললাইনের ফিশপ্লেট সরানোর দায়ে ১৯ বছর বয়সী হেমু কালানির ফাঁসির খবর শুনে তাদের মনোবল ভেঙে পড়েছিল। তবে নন্দুর দাদু সাহস জুগিয়ে বলেন যে সাহস এক হৃদয় থেকে অন্য হৃদয়ে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর তারা আবার নতুন উদ্যমে কাজে নামে এবং ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীন না হওয়া পর্যন্ত বন্দি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের পরিবারগুলোর কাছে খাবার পৌঁছে দিয়েছে।
স্বাধীনতা সংগ্রামে শিশুদের ভূমিকা নিয়ে এমন আবেগপ্রবণ বর্ণনা ইতিহাসকে রূপকথায় পরিণত করার ঝুঁকি তৈরি করে। ব্রিটিশদের হাতে প্রাণ দেওয়া প্রকৃত বিপ্লবী হেমু কালানির জীবনগাথা কেবল একটি নৈতিক শিক্ষার পটভূমি হওয়ার চেয়ে বেশি কিছু পাওয়ার দাবি রাখে। স্বাধীনতার প্রকৃত তাৎপর্য বুঝতে হলে আমাদের বড় আত্মত্যাগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সাহসিকতাকেও সম্মান জানাতে হবে। তবে তা যেন কোনোভাবেই রূপকথার গল্প না হয়ে ওঠে। আজকের দিনে আমরা কার সাহসকে স্বীকৃতি দিতে প্রস্তুত?
সূত্র: deccanherald.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত সূত্র থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।