
India's coal demand is likely to touch 1.6 billion tonnes per annum by 2030, Union Coal Secretary Vikram Dev Dutt said at the Global Commodities Conclave in Mumbai on Friday. He stressed…
মুম্বাইয়ে গ্লোবাল কমোডিটিস কনক্লেভে কেন্দ্রীয় কয়লা সচিব বিক্রম দেব দত্ত জানিয়েছেন, ২০৩০ সাল নাগাদ ভারতে বার্ষিক কয়লার চাহিদা ১৬০ কোটি টনে পৌঁছাতে পারে। তিনি কয়লার মূল্যের ক্ষেত্রে স্বচ্ছ ও বাজারভিত্তিক পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন। সরকারি সংস্থা কোল ইন্ডিয়ার একচ্ছত্র আধিপত্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার আগামী কয়েক মাসের মধ্যে একটি কয়লা বিনিময় কেন্দ্র বা ‘কোল এক্সচেঞ্জ’ চালু করার পরিকল্পনা করছে। এটি একটি স্বতন্ত্র প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে যেখানে দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কয়লার প্রকৃত দাম নির্ধারণ সহজ হবে এবং ভবিষ্যতে ডেরিভেটিভস বাজারের ভিত্তি তৈরি হবে। গত দুই অর্থবর্ষেই দেশের অভ্যন্তরে কয়লা উৎপাদন ১০০ কোটি টন ছাড়িয়ে গেছে।
দত্ত আরও জানান, ভারত কয়লার ঘাটতির পরিস্থিতি কাটিয়ে উদ্বৃত্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থায় প্রতিযোগিতামূলক ও স্বচ্ছ ব্যবস্থা জরুরি হয়ে পড়েছে। কয়লা এক্সচেঞ্জটি লেনদেন নিষ্পত্তি এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় কেন্দ্রীয় মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে। এই সংস্কার দেশের জ্বালানি নিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যপূরণে সহায়তা করবে।
ভারতের ক্রমবর্ধমান কয়লা ব্যবহারকে সবুজ শক্তির রূপান্তরে ব্যর্থতা হিসেবে দেখার প্রবণতা রয়েছে। তবে উন্নয়নের পথে থাকা অর্থনীতির জন্য কয়লা যে এখনও প্রধান ভরসা, তা ভুলে গেলে চলবে না। একই সঙ্গে কয়লা এক্সচেঞ্জ নিয়ে সরকারের উৎসাহ যেন কোল ইন্ডিয়ার একচেটিয়া প্রভাবকে আড়াল না করে। উৎপাদন ও দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোল ইন্ডিয়া এখনও দাপট ধরে রেখেছে। আসল পরীক্ষা হবে এটি যে, কয়লা এক্সচেঞ্জ কি সত্যিই সেই আধিপত্য ভেঙে স্বচ্ছ দাম নিশ্চিত করতে পারবে, নাকি এটিও সরকারি নিয়ন্ত্রিত আরেকটি প্ল্যাটফর্ম হয়ে থাকবে। প্রথম বছরে কতজন স্বতন্ত্র খনি ব্যবসায়ী এতে অংশ নেন, তা দেখার বিষয়।
সূত্র: thehindu.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া উৎসের তথ্যের ভিত্তিতে এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।