
Rescuers in the Colombian cities of Pereira and Cali reported signs of life beneath collapsed buildings on Friday, more than 96 hours after the 7.4-magnitude earthquake struck western Colombia on Monday. In…
সোমবার পশ্চিম কলম্বিয়ায় আঘাত হানা ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পের ৯৬ ঘণ্টারও বেশি সময় পর শুক্রবার পেরেইরা ও কালিতে ধ্বংসস্তূপের নিচে প্রাণের স্পন্দন পাওয়ার কথা জানিয়েছেন উদ্ধারকারীরা। পেরেইরার মেয়র মৌরিসিও সালাজার জানান, একটি হোটেলের ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া এক নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী নিহতের সংখ্যা অন্তত ২৮৫ জন এবং আহত হয়েছেন প্রায় ৪,০০০ মানুষ। এছাড়া শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। বেসরকারি সংস্থাগুলোর মতে নিখোঁজের সংখ্যা হাজার ছাড়াতে পারে।
এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ১ লাখেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং গৃহহীন হয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। প্রেসিডেন্ট আবেল্যার্দো দে লা এসপ্রিয়েল্লা দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই এই দুর্যোগের কবলে পড়ে দেশ। তিনি পুনর্গঠন কাজে বেসরকারি খাতের সঙ্গে অংশীদারিত্ব ও গৃহহীনদের ভর্তুকি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। স্কুল, পার্ক ও সরকারি ভবনগুলোকে আশ্রয়কেন্দ্রে রূপান্তরিত করা হয়েছে। পেরু, চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আন্তর্জাতিক ত্রাণ সহায়তা এলেও অনেক এলাকায় সরকারি ত্রাণ এখনো পৌঁছায়নি।
এই মুহূর্তে দুটি ভিন্ন মত উঠে আসছে। প্রথমটি হলো সরকার পরিস্থিতি সামলাতে ব্যর্থ হচ্ছে এবং দ্বিতীয়টি হলো শুধু স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমেই উদ্ধারকাজ সফল হবে। বাস্তবতা এর চেয়েও জটিল। প্রেসিডেন্ট দে লা এসপ্রিয়েল্লা মাত্র এক সপ্তাহ আগে ক্ষমতায় এসেছেন, তাই কেবল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ওপর ভিত্তি করে তার বিচার করাটা অযৌক্তিক। তবে পুনর্গঠনের গতিই হবে তার দক্ষতার আসল মাপকাঠি। স্বেচ্ছাসেবকদের অবদান বীরত্বপূর্ণ হলেও তারা রাষ্ট্রীয় সক্ষমতার বিকল্প হতে পারে না। আসল পরীক্ষা হলো পরবর্তী বর্ষা মৌসুমের আগেই চোকো অঞ্চলের মতো অবহেলিত এলাকাগুলোতে সরকারি তহবিল পৌঁছায় কি না।
সূত্র (২): timesnownews.com, indiatoday.in
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া দুটি তথ্যের ভিত্তিতে এআই দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।