
The youth-led Cockroach Janta Party helped force the education minister’s resignation and organised marches in Delhi. On 20 July, police dispersed thousands marching towards Parliament with tear gas and baton charges. Delhi…
তরুণদের পরিচালিত ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে ধারাবাহিক প্রতিবাদ মিছিল আয়োজন করা হয়। ২০ জুলাই পার্লামেন্টের দিকে অগ্রসর হওয়া হাজার হাজার বিক্ষোভকারীকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও লাঠিচার্জ করে। দিল্লি পুলিশের দাবি অনুযায়ী এ ঘটনায় ৬০ জন বিক্ষোভকারী ও ১১৮ জন পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন যদিও বিক্ষোভকারীরা এই পরিসংখ্যান নিয়ে দ্বিমত পোষণ করেছেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ তাদের ওপর পেলেট গান ও শক ব্যাটনসহ বিভিন্ন দমনমূলক সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছে। যদিও পুলিশ কিছু সরঞ্জামের ব্যবহারের কথা অস্বীকার করেছে। চিকিৎসা সংক্রান্ত রিপোর্টে জানা গেছে একজন নারী ভেন্টিলেশন সাপোর্টে আছেন এবং পাঁচজন বিক্ষোভকারী পেলেট গানের আঘাতে আহত হয়েছেন।
মিছিলে অংশ নেওয়া বা অনলাইনে প্রতিবাদ নিয়ে পোস্ট দেওয়া অনেক নারী বিবিসিকে জানিয়েছেন তারা ডক্সিং, যৌন হুমকি, বিকৃত ছবি ও কুরুচিপূর্ণ বার্তার শিকার হয়েছেন। ভুক্তভোগীরা অনেকে তাদের অ্যাকাউন্ট ব্যক্তিগত করে ফেলেছেন বা হেনস্থার অভিযোগ জানিয়েছেন। কিছু বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাও দায়ের করা হয়েছে। তবে এই হেনস্থার পরিধি ও এর পেছনে কোনো সুসংগঠিত চক্র জড়িত কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়।
আহত হওয়ার খবর ও অনলাইনে সুপরিকল্পিত হেনস্থার অভিযোগগুলোকে গুরুত্বের সাথে দেখা প্রয়োজন। বিশেষ করে নারীদের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস বা তাদের ছবি বিকৃত করে ভয় দেখানোর ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগের। তবে অস্ত্র ব্যবহার, আহতের সংখ্যা ও হেনস্থার সমন্বয় নিয়ে পরস্পরবিরোধী দাবি রয়েছে। পুলিশের অস্বীকার ও বিক্ষোভকারীদের অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে মেডিকেল রিপোর্ট, ভিডিও ফুটেজ ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। জাতীয়তাবিরোধী বা বেতনভুক্ত বিক্ষোভকারী জাতীয় চরমপন্থী তকমা ব্যবহার করলে তা কোনো তথ্য প্রমাণ ছাড়াই বিতর্ককে কেবল উসকে দেয়।
সূত্র (২): news.google.com, thehindu.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত দুটি সূত্র থেকে এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।
আপডেট: প্রতিবেদনটি এখন দুটি সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি।