
President Droupadi Murmu has given assent to the Prevention of Insults to National Honour (Amendment) Bill, 2026, granting the full six-stanza version of Vande Mataram the same legal protection as the national…
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ‘প্রিভেনশন অফ ইনসাল্টস টু ন্যাশনাল অনার’ সংশোধনী বিল ২০২৬-এ সম্মতি দিয়েছেন যার ফলে বন্দে মাতরমের ছয়টি স্তবকই জাতীয় সংগীতের সমান আইনি সুরক্ষা পেল। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগে ও পরে প্রথমবারের মতো গানটির পূর্ণাঙ্গ রূপ বাজানো হয়। নতুন আইন অনুযায়ী এখন এই গান গাওয়ার সময় ইচ্ছাকৃত বাধা সৃষ্টি করলে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

গানটির ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে সরকার বছরব্যাপী অনুষ্ঠানের ঘোষণা করার পর জুলাই মাসে সংসদের উভয় কক্ষে এই বিল পাস হয়। ফ্রন্টলাইনের মতো সমালোচকদের মতে মহাত্মা গান্ধী ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হিন্দু দেবদেবীর উল্লেখ থাকা স্তবকগুলো অন্তর্ভুক্ত করার বিরোধিতা করেছিলেন এবং ১৯৫০ সালে গণপরিষদ শুধুমাত্র প্রথম দুটি স্তবক গ্রহণ করেছিল। সরকারের যুক্তি হলো গানটির সংক্ষিপ্ত রূপটি ছিল একটি ঐতিহাসিক আপস যা সংশোধন করা প্রয়োজন ছিল।
বন্দে মাতরমের ছয়টি স্তবক ফিরিয়ে আনলে তা ধর্মনিরপেক্ষতাকে আঘাত করে এমন দাবি আদতে একটি রাজনৈতিক বয়ান। ১৯৩৭ সালে গান্ধী ও রবীন্দ্রনাথের নিজস্ব উদ্বেগ ছিল কিন্তু ২০২৬ সাল ১৯৩৭ সাল নয়। মূল প্রশ্ন হলো দুর্গাদেবীর উল্লেখ থাকা স্তবকগুলো কি কোনো নাগরিককে গাইতে বাধ্য করবে কারণ আইনটি গান গাওয়ায় বাধা সৃষ্টিকে শাস্তিযোগ্য করেছে কিন্তু চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকাকে নয়। প্রথম কোনো আইনি চ্যালেঞ্জের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় তা দেখার বিষয়। সরকার কি স্পষ্ট করবে যে কাউকে সব স্তবক গাইতে বাধ্য করা হবে না?
সূত্র (২): frontline.thehindu.com, indiatoday.in
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত দুটি সূত্র থেকে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।