
Indra Mohan Pandey was 11 when he saw Jawaharlal Nehru at the Red Fort during the 1958 Independence Day celebrations. The former IIM-Ahmedabad professor, born 10 days after Independence, has since watched…
১৯৫৮ সালের স্বাধীনতা দিবসে লাল কেল্লায় জওহরলাল নেহরুকে দেখার সময় ইন্দ্র মোহন পাণ্ডের বয়স ছিল ১১ বছর। স্বাধীনতার ১০ দিন পরে জন্ম নেওয়া আইআইএম-আহমেদাবাদের এই প্রাক্তন অধ্যাপক ট্রাঙ্ক কল ও অভাবের সেই ভারত থেকে আজকের স্মার্টফোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উচ্চশিক্ষার সহজলভ্যতার সময়কাল দেখেছেন।
দেবপ্রয়াগ সঙ্গমের কাছে বড় হওয়া পাণ্ডে পড়াশোনার জন্য দিল্লিতে এসে শ্রী রাম কলেজ অফ কমার্স ও দিল্লি স্কুল অফ ইকোনমিক্সে ভর্তি হন। ১৯৬৮ সালে তিনি শ্রী রাম কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন এবং পরবর্তীকালে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রে পড়িয়েছেন। তিনি স্মরণ করেন কীভাবে স্কলারশিপ নিয়ে পড়ার সময় রাম মনোহর লোহিয়া, ভি কে কৃষ্ণ মেনন ও লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর মতো নেতাদের ছাত্র সমাবেশে আমন্ত্রণ জানাতেন।
নেহরু-যুগের ভারত নিয়ে সহজ নস্টালজিয়া অনেক সময় দারিদ্র্য ও সীমাবদ্ধ সুযোগকে সোনালী অতীতের গল্প হিসেবে তুলে ধরে। এর বিপরীত ধারণাটি হলো এই সময়ে কোনো মেধাবী চর্চা হতো না, যা ভুল। পাণ্ডের অভিজ্ঞতা থেকে বোঝা যায়, ছাত্র সংসদ থেকে শুরু করে আইবিএম মেশিন শেয়ার করে গবেষণার মতো প্রতিকূলতার মধ্যেও প্রাণবন্ত বিতর্ক চলত। আজকের প্রাচুর্যকে বোঝার জন্য তার অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ। আসল পরীক্ষা হলো, আজকের শিক্ষা ব্যবস্থা কেবল সুবিধাপ্রাপ্তদের নয় বরং সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের মান উন্নত করতে পারছে কি না।
সূত্র: hindustantimes.com
এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে উল্লেখিত উৎস থেকে তৈরি করা হয়েছে।