
A Karnataka Cabinet Bill to regulate use of government premises and public property triggered a war of words between the BJP and Congress on Friday. The BJP alleged the Bill indirectly targets…
সরকারি প্রাঙ্গণ ও গণসম্পত্তির ব্যবহারের নিয়মাবলী নিয়ে কর্ণাটক মন্ত্রিসভার বিলকে কেন্দ্র করে শুক্রবার বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ শুরু হয়। বিজেপির অভিযোগ, এই বিল পরোক্ষভাবে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘকে (আরএসএস) নিশানা করছে এবং তারা সরাসরি সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিয়ঙ্ক খড়গে পালটা জবাবে বলেন, এমন হুমকি প্রমাণ করে আরএসএসকে সন্ত্রাসবাদী বা আন্ডারওয়ার্ল্ড সংগঠন মনে করা হচ্ছে এবং তিনি সংবিধান থেকে সাহস পাচ্ছেন। প্রস্তাবিত ‘কর্ণাটক রেগুলেশন অফ ইউজ অফ গভর্নমেন্ট প্রমিসেস অ্যান্ড পাবলিক প্রপার্টি বিল’ চলতি বর্ষাকালীন অধিবেশনে পেশ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিজেপি রাজ্য সভাপতি বি ওয়াই বিজয়েন্দ্র বলেন, বিলে নাম উল্লেখ না থাকলেও এটি স্পষ্টত আরএসএসকে লক্ষ্য করেই আনা হয়েছে। বিরোধী দলনেতা আর অশোক কংগ্রেসকে সতর্ক করে বলেন, আরএসএসকে নিশানা করার রাজনৈতিক পরিণতি ভোগ করতে হবে। খড়গে এই আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে বলেন, অপরাধীদের মনেই কেবল ভীতি থাকে।
পুরোনো সেই পরিচিত দৃশ্যই আবার দেখা যাচ্ছে। কংগ্রেস সরকারি জায়গা নিয়ে বিল আনছে, বিজেপি বলছে আরএসএস শিকারের চক্রান্ত চলছে এবং উভয় পক্ষই নিজ নিজ অবস্থানে অনড়। এই গোলমালে বিলের মূল বিষয়বস্তুই ঢাকা পড়ে যাচ্ছে কারণ এর পূর্ণাঙ্গ বয়ান এখনও প্রকাশিত হয়নি। সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত সংগঠন আরএসএসকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে বিতর্কের বদলে জনগণের উচিত সরকারের কাছে বিলের খসড়া চাওয়া। এই বিল কি মন্দির ট্রাস্ট থেকে ট্রেড ইউনিয়ন পর্যন্ত সব বেসরকারি সংস্থার ওপর প্রযোজ্য হবে? এই একটি তথ্যই পরিষ্কার করে দেবে এটি প্রকৃত আইনি নিয়ন্ত্রণ নাকি কোনো রাজনৈতিক ফন্দি।
সূত্র (২): timesnownews.com, thehindu.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত দুটি সূত্র থেকে এআই ব্যবহার করে সংকলিত হয়েছে।