
Karnataka has simplified rules for non-resident Indians and legal heirs living outside the state to transfer inherited agricultural land records into their names. The revenue department amended guidelines for Pauti Khata, the…
কর্ণাটক সরকার রাজ্যের বাইরে বসবাসকারী অনাবাসী ভারতীয় এবং বৈধ উত্তরাধিকারীদের উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত কৃষি জমির রেকর্ড নিজেদের নামে নথিভুক্ত করার নিয়ম সহজ করেছে। বুধবার রাজস্ব বিভাগ কৃষি জমির মিউটেশন প্রক্রিয়া পাউতি খাতা সংক্রান্ত নির্দেশিকা সংশোধন করেছে।
সংশোধিত কাঠামো অনুযায়ী রাজ্যের বাইরে থাকা উত্তরাধিকারীরা ডিজিটাল ফ্যামিলি ট্রি সার্টিফিকেট, লিগ্যাল হেয়ার সার্টিফিকেট বা সাকসেশন সার্টিফিকেট জমা দিয়ে আবেদন করতে পারবেন। এই নথিপত্র ইংরেজিতে অনুবাদ করে ১০০ টাকার স্ট্যাম্প পেপারে নোটারাইজড হলফনামা থাকতে হবে। ভারতীয় উত্তরাধিকারীদের আধার কার্ড জমা দেওয়া এবং ওটিপি বা বায়োমেট্রিকের মাধ্যমে ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। বিদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে পাসপোর্টের প্রতিলিপি জমা দিতে হবে। সব উত্তরাধিকারী বিদেশি নাগরিক হলে দেওয়ানি আদালত থেকে সাকসেশন সার্টিফিকেট নেওয়া বাধ্যতামূলক এবং স্থানীয় নাদা কাচেরিতে সশরীরে উপস্থিত হয়ে জমা দিতে হবে। উপ-মুখ্যমন্ত্রী জি পরমেশ্বর বলেছেন যে এই পদক্ষেপ পরিবারগুলোর দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান করবে।
কর্ণাটক সরকারের এই পদক্ষেপ একটি বিরল প্রশাসনিক সরলীকরণ যা এনআরআই এবং উত্তরাধিকারীদের জন্য আমলাতান্ত্রিক জটিলতা হ্রাস করবে। প্রায়শই দেখা যায় নিয়ম সহজ করার পরেও সরকারি অফিসে বারবার যেতে হয়। এক্ষেত্রে মূল পরীক্ষা হবে গ্রাম প্রশাসনের আধিকারিকরা অতিরিক্ত নথিপত্র দাবি না করেই ই-পাউতি আবেদনগুলো প্রক্রিয়া করেন কি না। পরবর্তী ছয় মাসে কতগুলো পাউতি খাতা মিউটেশন অনলাইনে সম্পন্ন হয়েছে তা দেখার বিষয়। সফ্টওয়্যার প্রযুক্তি কি নীতির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারবে?
উৎস: timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত উৎসের ভিত্তিতে এআই দ্বারা প্রস্তুত করা হয়েছে।